শিরোনাম
◈ এক জোনের অটোরিকশা চলবে না অন্য জোনে : আসছে নতুন নীতিমালা, কতটা কার্যকর হবে? ◈ ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছ থেকে ১২০০ কোটি টাকা ঘুষের অভিযোগ, ‘ইকোনমিক হিটম্যান’ তকমা নিয়ে যা বললেন আশিক চৌধুরী ◈ অ্যাপস ভিত্তিক রাইড পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরির দাবি, মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার ◈ শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো, ডিসেম্বরে চূড়ায় উঠতে পারে; প্রভাব থাকতে পারে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ◈ ‘বাবা, তারা আমাকে আটকে রেখেছে উদ্ধার করো, না হলে ওরা মেরে ফেলবে’—শেষ ফোনের কয়েক ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ◈ বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক ◈ ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের আগে ভারতজুড়ে কর্মী-সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে, ‘আরও মানুষ রাজপথে নামবে’: অভিজিৎ দীপকে ◈ বাংলাদেশে ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক আইসিডিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু নিয়ে উচ্ছ্বাস ইলন মাস্কের, ক্ষোভ ঝারলেন ভারতের ওপর ◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন, গ্রিডে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ধাপ

প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারী, ২০২১, ০৪:৫৭ সকাল
আপডেট : ২৪ জানুয়ারী, ২০২১, ০৪:৫৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চীন কিভাবে শিক্ষা ও গবেষণায় এগিয়ে যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী বিষয়টা অনুধাবন করবেন

কামরুল হাসান মামুন: গতকাল সন্ধ্যায় সিনেট ভবনে ঢাবি’র শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এমপি বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ সাইটেশন পাঠ করেন। প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। প্রধান অথিতি হিসাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে অনলাইনের মাধ্যমে সংযুক্ত হন এবং বক্তব্য রাখেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে কী নোট স্পীকার ছিলেন সুপরিচিত-বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান। অনেক চেষ্টা করেও কোন পত্রিকায় তাঁর বক্তব্যতো দূরে থাক এমনকি চুম্বকাংশও কোথাও খুঁজে পেলাম না। অথচ তিনি কি-নোট স্পিকার ছিলেন এবং সঙ্গত কারণেই তার বক্তব্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন কিছু আলাপ উঠে এসেছে। এক কথায় উনার বক্তব্য ছিল অসাধারণ। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে তিনি চীনের পিকিং/বেইজিং এবং সিনহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উদাহরণ টেনে কেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশী বিনিয়োগ করা দরকার তার একটি সঠিক বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে মানসম্পন্ন করতে পদ্মা সেতুর মত সাহসী পদক্ষেপের কথা বলেছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্ত চিন্তার বিকাশের কথা বলেছেন। অথচ এই কথাগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবপেইজেও আসেনি এবং আসেনি দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্ট মিডিয়ায়।

চীন কিভাবে শিক্ষা ও গবেষণায় এগিয়ে যাচ্ছে সেই উদাহরণটা খুবই জরুরি ছিল। আশা করি প্রধানমন্ত্রী বিষয়টা অনুধাবন করবেন এবং পদ্মাসেতুর মত আরেকটি সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের আপামর মানুষের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে নিয়ে যাবেন। বর্তমানে যেই বরাদ্দ দেওয়া হয় তা চীনের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিভাগের বরাদ্দের চেয়েও কম। এত কম বরাদ্দে ৩৫ হাজারেরও বেশি ছাত্রছাত্রী পড়াশুনা করছে এটি গ্রীনিস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মত। গতকাল প্রশাসনে যারা ছিলেন তাদের একটা সুযোগ ছিল প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি তোলার। তারা দাবি তুলবেন কি বরং সরকার যা দিচ্ছেন তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেই শেষ করতে পারছিলেন না। দাবি না জানালে পাবেন কিভাবে? না কানলে নাকি মাও দুধ দেয় না। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ