শিরোনাম
◈ ৪ কিমি গতির ঢাকা শহর! যানজট কমাতে এআই ও জিরো সিগন্যাল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার পথে বাংলাদেশ ◈ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জোট সমীকরণ: কে কার সঙ্গে, কে কোথায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে? ◈ ভোটের দিন প্রার্থী, পোলিং এজেন্ট ও ভোটারদের যেসব বিধিনিষেধ মানতে হবে ◈ আমরা এককভাবে সরকার গঠনে সক্ষম হবো: ডয়চে ভেলেকে তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকা‌পে আরব আমিরাতের বিরু‌দ্ধে দাপু‌টে জয় নিউ জিল্যান্ডের ◈ নির্বাচনে টানা ছুটি: সরকারি চাকরি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—কার কত দিন? ◈ বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে আওয়ামী লীগ নিয়ে ভারতের দোটানা! ◈ বিদায় নিয়ে কোথায় যাবেন, জাতিকে জানালেন প্রধান উপদেষ্টা ◈ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার যানজট ◈ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কার করল বিএনপি

প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারী, ২০২১, ০৪:৫৭ সকাল
আপডেট : ২৪ জানুয়ারী, ২০২১, ০৪:৫৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চীন কিভাবে শিক্ষা ও গবেষণায় এগিয়ে যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী বিষয়টা অনুধাবন করবেন

কামরুল হাসান মামুন: গতকাল সন্ধ্যায় সিনেট ভবনে ঢাবি’র শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এমপি বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ সাইটেশন পাঠ করেন। প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। প্রধান অথিতি হিসাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে অনলাইনের মাধ্যমে সংযুক্ত হন এবং বক্তব্য রাখেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে কী নোট স্পীকার ছিলেন সুপরিচিত-বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান। অনেক চেষ্টা করেও কোন পত্রিকায় তাঁর বক্তব্যতো দূরে থাক এমনকি চুম্বকাংশও কোথাও খুঁজে পেলাম না। অথচ তিনি কি-নোট স্পিকার ছিলেন এবং সঙ্গত কারণেই তার বক্তব্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন কিছু আলাপ উঠে এসেছে। এক কথায় উনার বক্তব্য ছিল অসাধারণ। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে তিনি চীনের পিকিং/বেইজিং এবং সিনহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উদাহরণ টেনে কেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশী বিনিয়োগ করা দরকার তার একটি সঠিক বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে মানসম্পন্ন করতে পদ্মা সেতুর মত সাহসী পদক্ষেপের কথা বলেছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্ত চিন্তার বিকাশের কথা বলেছেন। অথচ এই কথাগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবপেইজেও আসেনি এবং আসেনি দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রিন্ট মিডিয়ায়।

চীন কিভাবে শিক্ষা ও গবেষণায় এগিয়ে যাচ্ছে সেই উদাহরণটা খুবই জরুরি ছিল। আশা করি প্রধানমন্ত্রী বিষয়টা অনুধাবন করবেন এবং পদ্মাসেতুর মত আরেকটি সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের আপামর মানুষের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে নিয়ে যাবেন। বর্তমানে যেই বরাদ্দ দেওয়া হয় তা চীনের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিভাগের বরাদ্দের চেয়েও কম। এত কম বরাদ্দে ৩৫ হাজারেরও বেশি ছাত্রছাত্রী পড়াশুনা করছে এটি গ্রীনিস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মত। গতকাল প্রশাসনে যারা ছিলেন তাদের একটা সুযোগ ছিল প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি তোলার। তারা দাবি তুলবেন কি বরং সরকার যা দিচ্ছেন তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেই শেষ করতে পারছিলেন না। দাবি না জানালে পাবেন কিভাবে? না কানলে নাকি মাও দুধ দেয় না। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়