প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বর্জ্য ডাম্পিং এর পাশে ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ জনসাধারণ, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন

আব্দুল্লাহ আল আমীন: [২] ময়মনসিংহ নগরীতে প্রবেশের জন্য জেলার উত্তরাঞ্চলের মানুষকে বর্জে্য  তীব্র গন্ধে ভোগান্তি পোহাতে হতো। নগরীর শম্ভুগঞ্জ সেতু সংলগ্ন মহাসড়কের পাশে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ডাম্পিং এলাকায় ফেলা হতো বর্জ্য। সেখানে নাকে হাত দিয়ে রাস্তা পাড় হতো।

[৩] আর সেই জায়গায় টিনের বেড়া ও ফুলের সুভাষে সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। পেয়েছে সৌন্দর্য বৃদ্ধি।

[৪] ডাম্পিং এ স্তুপকৃত বর্জ্যের তীব্র গন্ধ এবং ডাম্পিং স্টেশন থেকে গড়িয়ে আসা বর্জ্য তৈরি করতো চরম জনভোগান্তি। এসব নিয়ে মানুষ মুক্তির জন্য নানা কর্মসূচি ও প্রতিবাদ হয়েছে বহুবার। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও হয়েছে প্রচারণা। অবশেষে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নতুন কিছু উদ্যোগে মানুষের দীর্ঘ দিনের ভোগান্তির অবসান ঘটতে যাচ্ছে!

[৫] ময়মনসিংহ নগরীতে একদিনে বর্জ্য তৈরি হয় প্রায় ৪০০ মেট্রিকটন। বিপুল এ বর্জ্য সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাবে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের ভোগান্তির কারণ হয়ে উঠেছিল। ডাম্পিং স্টেশন এলাকাটি ছিলো ছোট এবং মূল মহাসড়ক থেকে ডাম্পিং স্টেশনের ভেতরে নিয়ে বর্জ্য ফেলার জন্য ছিলোনা কোন সুব্যবস্থা।

[৬] সম্প্রতি সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ডাম্পিং স্টেশনের আশেপাশের আরো কিছু জমি অধিগ্রহণ করে ডাম্পিং স্টেশনের এলাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। মহাসড়ক থেকে ডাম্পিং স্টেশনের ভেতর পর্যন্ত সড়ক নির্মাণের মাধ্যমে মূল মহাসড়ক থেকে দূরে আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। এছাড়া, ডাম্পিং স্টেশনের বাইরে বৃক্ষ রোপনসহ সৌন্দর্য বৃদ্ধির প্রচেষ্টার ফলে গন্ধময় নোংরা শম্ভুগঞ্জ ময়লাকান্দা নামক এলাকার চেহারায় আমূল পরিবর্তন এসেছে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ময়মনসিংহ সিটির ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড এবং গুরুত্বপুর্ণ সড়ক-কে বর্জ্যমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

[৭] সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ সিটি বর্জ্যরে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্পের উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। প্রকল্পটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এ প্রসঙ্গে সিটি মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু বলেন, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদান প্রকল্পটি অনুমোদন হলে দুই বছরের মধ্যে ময়মনসিংহ নগরী বর্জ্যশূন্য নগরীতে পরিনত করা সম্ভব হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত