প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কুলাউড়ায় প্রধানমন্ত্রী উপহার ১১০টি নতুন ঘর গৃহহীনদের কাছে হস্তান্তর হবে কাল

স্বপন দেব: [২] আর মাত্র হাতেগুনা কয়েক ঘন্টা পরই নিজেদের স্বপ্নের ঘরে ওঠবেন গৃহহীন মানুষগুলো। এমন একটি ঘর তাদের হবে, সেই ঘরে তারা বসবাস করতে পারবেন এ ছিলো তাদের ‘স্বপ্ন বিলাশে’ এরও অতীত। সেই স্বপ্নের বাস্তবায়নের অপেক্ষায় হতদরিদ্র মানুষগুলো। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে ১১০ জন হতদরিদ্র মানুষকে নতুন ঘর উপহার দিচ্ছেন।

[৩] কুলাউড়া ইউএনও অফিস সুত্রে জানা যায়, ঘর নির্মাণ কাজ শেষ, ঘরগুলোতে রং করা হয়েছে। এখন শুধু ঘরে উঠবেন মালিকরা। কুলাউড়া উপজেলায় ১১০ জন ভূমিহীন ও হতদরিদ্র মানুষ পাবে ‘মুজিব বর্ষ’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অনুদানে নির্মিত সুদর্শণ ঘরগুলো।

[৪] কুলাউড়া উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে খাস জমিতে এসব ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। উপজেলার ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের লংলা খাসে ১১টি, শরীফপুর ইউনিয়নে ৩০ টি, পৃথিমপাশা ইউনিয়নে ৩০টি, হাজীপুর ইউনিয়নের রনচাপে ৮টি, রাউৎগাঁও ইউনিয়নে ১২টি, জয়চন্ডী ইউনিয়নে ৫টি, কর্মধা ইউনিয়নে ৫টি, ভাটেরা ইউনিয়নে ৪টি ঘর, টিলাগাঁও ইউনিয়নের ডরিতাজপুরে ৪টি নির্মাণ করা হয়েছে।

[৪] স্থানীয় লোকজন প্রতিদিন ঘরগুলো দেখতে বিকেলে ভীড় করেন। সরকারে এধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষও খুব খুশি। একজন প্রধানমন্ত্রীর কতটা আন্তরিক ও সমব্যথি হলে সর্বস্বহারা মানুষদের জন্য এমন ঘর নির্মাণ করে দিতে উদ্যোগ নেন এ গল্প এখন এলাকার মানুষের মুখে মুখে।

[৫] কুলাউড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শিমুল আলী জানান, ঘরগুলোর নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শেষ পর্যায়ে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই হতদরিদ্র মানুষের হাতে ঘরগুলোর মালিকানা দলিল হস্তান্তর করা হবে।

[৬] কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম ফরহাদ চৌধুরী শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) এ প্রতিবেদককে জানান, অতি অল্প সময়ে ঘরগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হলেও, ঘরগুলো অত্যন্ত মানসম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম সফি আহমদ সলমান, আমি নিজে এবং উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভুমি) নাজরাতুল নাঈমসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ ঘর নির্মাণের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত