শিরোনাম
◈ ব্যবসায়ী থেকে তিন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী: কে এই শেখ রবিউল আলম? ◈ গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী ◈ সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি পদে আলোচনায় যেসব বিএনপি নেত্রী ◈ ৮ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন, জানা গেল কে কোন দায়িত্বে? ◈ ফুটবল বিশ্বকাপ দেখতে আবেদন পড়েছে ৫০ কো‌টি ৮০ লাখ ◈ শেখ হাসিনা কি নেতাকর্মী‌দের ৩২ নম্ব‌রে যাতায়ত ও আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার নির্দেশ দিয়েছেন?  ◈ দুই মাস পর ভারতীয় নাগরিকদের ভিসা দেওয়া শুরু করল বাংলাদেশ ◈ রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে না, আশ্বাস দিলেন ধর্মমন্ত্রী ◈ এলডিসি উত্তরণ: তিন বছর স্থগিত চেয়ে জাতিসংঘে চিঠি দিলো বাংলাদেশ ◈ অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে এখনো বিতর্ক কেন?

প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারী, ২০২১, ১১:১৫ দুপুর
আপডেট : ১৯ জানুয়ারী, ২০২১, ১১:১৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] মাদক সম্রাট এস্কোবারের জলহস্তিদের সংখ্যাবৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত কলাম্বিয়ার সরকার

মোহাম্মদ রকিব: [২] কলাম্বিয়ার কুখ্যাত মাদক চোরাকারবারী পাবলো এস্কোবার ১৯৯৩ সালে নিহত হলেও আলোচনায় উঠে এসেছেন আবারও।

[৩] ১৯৮০ সালে পাবলো তার ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানার সংগহশালাটি আরো সমৃদ্ধ করতে একটি পুরুষ ও দুটি স্ত্রী জলহস্তি আমদানি করেন। তিনি নিহত হওয়ার পর অন্য প্রাণীগুলোকে নতুন জায়গায় স্থানান্তর করা হলেও সরানো সম্ভব হয়নি দানব আকারের প্রাণীগুলোকে।

[৪] জলহস্তিগুলো পাবলোর র‌্যাঞ্চ থেকে বংশবৃদ্ধি করতে করতে মাদকের মতো ছড়িয়ে পড়েছে প্রায় ১০০ বর্গমাইল এলাকায়। স্বাভাবিকভাবেই পরিবেশে এর প্রভাব পড়েছে। কারণ জলহস্তি দক্ষিণ আমেরিকার স্থানীয় নয়।

[৫] সম্প্রতি মেক্সিকো ও কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এর পরিবেশগত প্রভাব ও জননিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। প্রাণী বিজ্ঞানীরা সমধান হিসেবে তাদের মেরে ফেলার পরামর্শ দিলেও জনগণের প্রবল আপত্তির মুখে সরকার সে উদ্যোগ থেকে সরে আসে।

[৭] এ দানবরা পাবলোর ভালোবাসার উদ্যান থেকে ছড়িয়েছে মাদকের মতো করে। এর লাগাম টানা প্রায় অসম্ভব। জলে-স্থলে বিচরন করে তারা যেন বলছে, আমাদের প্রিয় পাবলোর হৃদস্পন্দন থামিয়ে দিয়েছো, আমাদের পারলে এবার থামাও। আমরাই ওর প্রিয় ‘কোকেন’। সম্পাদনা: আসিফুজ্জামান পৃথিল

[৩] ১৯৮০ সালে পাবলো তার ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানার সংগহশালাটি আরো সমৃদ্ধ করতে একটি পুরুষ ও দুটি স্ত্রী জলহস্তি আমদানি করেন। তিনি নিহত হওয়ার পর অন্য প্রাণীগুলোকে নতুন জায়গায় স্থানান্তর করা হলেও সরানো সম্ভব হয়নি দানব আকারের প্রাণীগুলোকে।

[৪] জলহস্তিগুলো পাবলোর র‌্যাঞ্চ থেকে বংশবৃদ্ধি করতে করতে মাদকের মতো ছড়িয়ে পড়েছে প্রায় ১০০ বর্গমাইল এলাকায়। স্বাভাবিকভাবেই পরিবেশে এর প্রভাব পড়েছে। কারণ জলহস্তি দক্ষিণ আমেরিকার স্থানীয় নয়।

[৫] সম্প্রতি মেক্সিকো ও কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এর পরিবেশগত প্রভাব ও জননিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। প্রাণী বিজ্ঞানীরা সমধান হিসেবে তাদের মেরে ফেলার পরামর্শ দিলেও জনগণের প্রবল আপত্তির মুখে সরকার সে উদ্যোগ থেকে সরে আসে।

[৭] এ দানবরা পাবলোর ভালোবাসার উদ্যান থেকে ছড়িয়েছে মাদকের মতো করে। এর লাগাম টানা প্রায় অসম্ভব। জলে-স্থলে বিচরন করে তারা যেন বলছে, আমাদের প্রিয় পাবলোর হৃদস্পন্দন থামিয়ে দিয়েছো, আমাদের পারলে এবার থামাও। আমরাই ওর প্রিয় ‘কোকেন’। সম্পাদনা: আসিফুজ্জামান পৃথিল

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়