শিরোনাম
◈ জ্বালানি সংকট সামাল দিতে দ্বিগুণ দামে এলএনজি কিনল সরকার ◈ উপসাগরে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা: ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া  ◈ জ্বালানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স—যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে অর্থনৈতিক ঝুঁকি ◈ ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া ◈ জ্বালানি তেল পাচার রোধে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির নিরাপত্তা জোরদার ◈ আমার ফ্ল্যাট থেকে কয়েক কদম দূরেই ‘যমুনা’, যেখানে ঘটেছে অসংখ্য নাটকীয় ঘটনা: শফিকুল আলম ◈ ঈদকে সামনে রেখে এলিফ্যান্ট রোড ও নিউমার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ◈ ইরান–সংঘাত থামাতে কিছু দেশের মধ্যস্থতার চেষ্টা: পেজেশকিয়ান ◈ জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে আতঙ্ক, যে বার্তা দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী ◈ কূটনীতিকদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা

প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারী, ২০২১, ১১:১৫ দুপুর
আপডেট : ১৯ জানুয়ারী, ২০২১, ১১:১৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] মাদক সম্রাট এস্কোবারের জলহস্তিদের সংখ্যাবৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত কলাম্বিয়ার সরকার

মোহাম্মদ রকিব: [২] কলাম্বিয়ার কুখ্যাত মাদক চোরাকারবারী পাবলো এস্কোবার ১৯৯৩ সালে নিহত হলেও আলোচনায় উঠে এসেছেন আবারও।

[৩] ১৯৮০ সালে পাবলো তার ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানার সংগহশালাটি আরো সমৃদ্ধ করতে একটি পুরুষ ও দুটি স্ত্রী জলহস্তি আমদানি করেন। তিনি নিহত হওয়ার পর অন্য প্রাণীগুলোকে নতুন জায়গায় স্থানান্তর করা হলেও সরানো সম্ভব হয়নি দানব আকারের প্রাণীগুলোকে।

[৪] জলহস্তিগুলো পাবলোর র‌্যাঞ্চ থেকে বংশবৃদ্ধি করতে করতে মাদকের মতো ছড়িয়ে পড়েছে প্রায় ১০০ বর্গমাইল এলাকায়। স্বাভাবিকভাবেই পরিবেশে এর প্রভাব পড়েছে। কারণ জলহস্তি দক্ষিণ আমেরিকার স্থানীয় নয়।

[৫] সম্প্রতি মেক্সিকো ও কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এর পরিবেশগত প্রভাব ও জননিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। প্রাণী বিজ্ঞানীরা সমধান হিসেবে তাদের মেরে ফেলার পরামর্শ দিলেও জনগণের প্রবল আপত্তির মুখে সরকার সে উদ্যোগ থেকে সরে আসে।

[৭] এ দানবরা পাবলোর ভালোবাসার উদ্যান থেকে ছড়িয়েছে মাদকের মতো করে। এর লাগাম টানা প্রায় অসম্ভব। জলে-স্থলে বিচরন করে তারা যেন বলছে, আমাদের প্রিয় পাবলোর হৃদস্পন্দন থামিয়ে দিয়েছো, আমাদের পারলে এবার থামাও। আমরাই ওর প্রিয় ‘কোকেন’। সম্পাদনা: আসিফুজ্জামান পৃথিল

[৩] ১৯৮০ সালে পাবলো তার ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানার সংগহশালাটি আরো সমৃদ্ধ করতে একটি পুরুষ ও দুটি স্ত্রী জলহস্তি আমদানি করেন। তিনি নিহত হওয়ার পর অন্য প্রাণীগুলোকে নতুন জায়গায় স্থানান্তর করা হলেও সরানো সম্ভব হয়নি দানব আকারের প্রাণীগুলোকে।

[৪] জলহস্তিগুলো পাবলোর র‌্যাঞ্চ থেকে বংশবৃদ্ধি করতে করতে মাদকের মতো ছড়িয়ে পড়েছে প্রায় ১০০ বর্গমাইল এলাকায়। স্বাভাবিকভাবেই পরিবেশে এর প্রভাব পড়েছে। কারণ জলহস্তি দক্ষিণ আমেরিকার স্থানীয় নয়।

[৫] সম্প্রতি মেক্সিকো ও কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এর পরিবেশগত প্রভাব ও জননিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। প্রাণী বিজ্ঞানীরা সমধান হিসেবে তাদের মেরে ফেলার পরামর্শ দিলেও জনগণের প্রবল আপত্তির মুখে সরকার সে উদ্যোগ থেকে সরে আসে।

[৭] এ দানবরা পাবলোর ভালোবাসার উদ্যান থেকে ছড়িয়েছে মাদকের মতো করে। এর লাগাম টানা প্রায় অসম্ভব। জলে-স্থলে বিচরন করে তারা যেন বলছে, আমাদের প্রিয় পাবলোর হৃদস্পন্দন থামিয়ে দিয়েছো, আমাদের পারলে এবার থামাও। আমরাই ওর প্রিয় ‘কোকেন’। সম্পাদনা: আসিফুজ্জামান পৃথিল

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়