প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ১৬ বছর পর স্কুলছাত্র সোহেল হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পিবিআই

সুজন কৈরী : [২] মানিকগঞ্জে ১৬ বছর আগে স্কুলছাত্র সোহেল পারভেজ হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন দুই আসামি। তারা হলেন- সাটুরিয়ার বরাইদ গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৩) ও সোনা মিয়ার ছেলে বাদল মিয়া (৩০)।

[৩] বুধবার বিকেলে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাকিম শাকিল আহমেদের আদালতে আসামিরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। নিহত সোহেল পারভেজ সাটুরিয়ার বরাইদ ইউনিয়নের উত্তর বরাইদ গ্রামের স্কুল শিক্ষক মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে।
[৪] মানিকগঞ্জ পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম কে এইচ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নিহত সোহেল ২০০৪ সালের এসএসসি মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থী ছিলো। ২০০৩ সাল থেকে পোল্ট্রি ফার্মের ব্যবসা করতেন। তাকে কমমূল্যে মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার কথা বলে ২০০৪ সালের ১৫ জুন বিকেলে স্থানীয় ইউনুছ আলী নামে এক ব্যক্তি ডেকে নিয়ে যায়। দুই দিন নিখোঁজ থাকার পর ১৮ জুন সাত লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়ে একটি চিঠি পায় সোহেলের পরিবার। পরে ২৯ জুন সোহেলের বাবা সাটুরিয়া থানায় চারজনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা করেন। মামলাটি থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশ ও সিআইডি তদন্ত শেষে চারজনকে অভিযুক্ত করে ২০০৯ সালের ১৪ নভেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। আদালত মামলার বিচারকার্য চলার সময়ে তদন্তে সন্তুষ্ট না হয়ে গত ২০২০ সালের ২৪ নভেম্বর পিবিআই মানিকগঞ্জকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

[৫] পিবিআই’র কর্মকর্তা আরও জানান, ১৬ বছর আগের ঘটনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে প্রধান অভিযুক্ত ইউনুছকে মাসখানেক আগে গ্রেপ্তার করে পিবিআই রিমান্ডের আবেদন জানালে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ইউনুছ আলী পরিকল্পিতভাবে টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে সাইফুল ও বাদলের সহযোগিতায় সোহেলকে শ্বাসরোধে হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দেয়। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী গত রোববার নারায়নগঞ্জ থেকে আনসার সদস্য সাইফুল ও মঙ্গলবার সাটুরিয়ায় বরাইদ গ্রাম থেকে বাদলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। মামলার আরেক আসামি পলাতক রয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত