প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বৈশ্বিক লকডাউন কাজে লাগেনি, ২০২০ ছিলো লিখিত ইতিহাসের উষ্ণতম বছর [২] উত্তর মেরুতে রেকর্ড দাবানল, আটলান্টিকে হয়েছে ২৯টি ঝড়

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [৩] ২০২০ সালে, ১৯ সালের চেয়ে ৭ শতাংশ কম জীবাশ্ম জ্বালানী পুড়েছে। কিন্তু এরপরেও তাপ ধরে রাখা কার্বন-ডাই-অক্সাইড বেড়েছে বায়ুমণ্ডলে। ২০২০ সালে আমাদের গ্রহের সারফেস তাপমাত্রা শিল্পো বিপ্লবউত্তর যুগের চেয়ে সোয়া ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিলো। দ্য গার্ডিয়ান

[৪] ২০২০ সালের তাপমাত্রারকাছাকাছি আসতে পেরেছে ২০১৬। তবে সে বছর প্রাকৃতিকভাবেই এল নিনো বা গরম সমুদ্র স্রোতের আবির্ভঅব হয়েছিলো। এটি ছাড়াই ২০২০ লিখতি ইতিহাসের সবচেয়ে গরম বছর।

[৫] এই তত্যগুলো জানিয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস। তারা বলছে শেষ ৬টি বছরই ছিলো ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ ৬ বছর। ইউরোপে ২০২০ সালে গড় তাপমাত্রার চেয়ে ১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি তাপমাত্রা ছিলো। এটিও একটি রেকর্ড। সায়েন্স এনালিটিকা

[৬] সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে উত্তর মেরু ও উত্তর সাইবেরিয়া। এই অঞ্চলের তাপমাত্রা ছিলো গড়ের চেয়ে ৩ ডিগ্রি বেশি। কিছু এলাকায় ছিলো ৬ ডিগ্রি বেশি। ফলে দেখা যায় অস্বাভাবিক দাবানল। ফলে শুধু এখান থেকে বায়ুমণ্ডলে রেকর্ড ২৪৪ মিলিয়ন টন কার্বন-ডাই-অক্সাইড অবমুক্ত হয়েছে। ফলে কমতে শুরু করেছে আর্কটিক বরফের পরিমাণও। ব্লিজার

[৭] ২০২০ সালে বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণও নতুন রেকর্ড গড়েছে। শিল্প বিপ্লবের আগের সময়ের তুলনায় বর্তমানে ৫০ শতাংশ বেশি কার্বন রয়েছে। লকডাউনে কোনও কাজ হয়নি বলেও মন্তব্য করেছে জাতিসংঘের আবহাওয়া দপ্তর।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত