প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] হোসেনপুরে গরুর ক্ষুরা রোগে উদ্বিগ্ন চাষী ও খামারিরা: ভ্যাকসিন সংকট

আশরাফ আহমেদ: [২] কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় হঠাৎ করে ব্যাপক হারে দেখা দিয়েছে গরুর ক্ষুরা রোগ। এই রোগে উপজেলার চরকাটি হারী, সাহেবের চর,চর বিশ্বনাথপুর ও উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন গ্রামের খামারে ও বিভিন্ন কৃষকের প্রায় দেড় হাজার গরু এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন খামারি ও কৃষকরা। তবে এখন পর্যন্ত কোনো গরু মারা যায়নি বলে জানা গেছে।

[৩] উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে জানা গেছে, উপজেলায় গাভী ও ষাঁড় মোটা তাজাকরণের প্রায় ১ হাজার ১শত ৬০টি ছোট বড় খামার রয়েছে। এছাড়াও প্রায় সকল কৃষক তাদের বাড়িতে ষাঁড় মোটা তাজাকরণ করা হয়ে থাকে। ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে আক্রান্ত এলাকায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

[৪] হোসেনপুর উপজেলার চরকাটি হারী গ্রামের খামারি সুমন জানান, তার খামারে ষাঁড় ও গাভী মিলিয়ে ৩০টি গরু রয়েছে, এর মধ্যে গত সপ্তায় তার ২০টি গরু এই রোগে আক্রান্ত হয়। চিকিৎসা দেওয়ার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠলেও গতকাল সোমবার আবারো ১টি গরু আক্রান্ত হয়েছে এবং তার চিকিৎসা চলছে।

[৫] তিনি আরো জানান, প্রাণীসম্পদ অফিস থেকে শুধুমাত্র পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের সহায়তা পায়নি। হোসেনপুর উপজেলা চরকাটি হারী, সাহেবের চর গ্রামের খোকন ও একই মহল্লার ছাইফুল,রতন,হাশিম, নূরুল ইসলামসহ প্রায় বাড়িতে পোষা ষাঁড় গরুর এই রোগ দেখা দিয়েছে। ধীরে ধীরে এই রোগ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ছে।

[৬] হঠাৎ করে এই রোগ দেখা দেয়ায় আতংকিত হয়ে পড়েছেন খামারি ও কৃষকেরা। প্রাণী সম্পদ অফিসের কোনো সহায়তা না পেয়ে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। এছাড়াও চিকিৎসা ব্যয় বেশি হওয়ায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন তারা। যে সকল খামারী বা কৃষকের গাভী ও ষাঁড় আক্রান্ত হয়েছে তারা প্রাণী সম্পদ অফিস থেকে সরকারিভাবে কোনো চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।

[৭] উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডা.আ:মান্নান বলেন, আবহাওয়াজনিত কারণে এই রোগ শুরু হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কিছু গরুর ক্ষুরা রোগ দেখা দিয়েছে। আক্রান্ত পশুগুলোর চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও সুস্থ গরুগুলোকে প্রতিরোধের ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। তবে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন নেই। ফলে এখনো পর্যন্ত কোনো গরু আক্রান্ত হয়ে মারা যায়নি। সম্পাদনা: সাদেক আলী

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত