প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] আশুগঞ্জে লাউচাষে বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

গোলাম সারোয়ার: [২] ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ চারতলার চরে কয়েকবছর যাবৎ বিষমুক্ত শীতকালীন লাউ চাষ করে আলী মিয়া এলাকায় জনপ্রিয় চাষী হয়ে উঠেন। তাকে অনুসরণ করে অনেক চাষীরা শুরু করে দিয়েছেন বিষমুক্ত লাউচাষ।

[৩] বিষমুক্ত লাউ এবং লাউশাক পেতে বিভিন্ন স্থান থেকে ক্রেতা ও সবজি বিক্রেতারা ভীড় জমান এসব চাষীদের ক্ষেতে। রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহৃত ক্ষেতের লাউয়ের চেয়ে অধিকমূল্যে কিনে নেয় এসব বিষমুক্ত লাউ ও লাউশাক।

[৪] বিষমুক্ত লাউচাষ করে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে সবজি চাষিরা। চরের প্রায় ১৫০ শতাংশ জমিতে বাঁশ ও সুতা দ্বারা তৈরি মাঁচায় বেয়ে উঠা গাছের নিচে ঝুলে থাকা লাউ অত্যন্ত দৃষ্টি নন্দন।

[৫] আলী মিয়া বলেন, রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ঔষধ ব্যবহার না করে জৈব সার ও নীমপাতার রস ব্যবহার করলে তাতে লাউয়ের রং ভাল থাকে ও খেতে খুব স্বাদ পাওয়া যায।

[৬] সবজি ব্যবসায়ি সেলিম মিয়া জানান, রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের বদলে জৈবসার, কেঁচোসার এবং নীমপাতার রস ব্যবহার করে বিষমুক্ত লাউ পাওয়া সম্ভব। লাউ চাষিরা জানান, এ বছর ভাল ফলন হয়েছে এবং চলতি মৌসুমে লাভের স্বপ্ন দেখছেন লাউ চাষিরা। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে কোন প্রকার রাসায়নিক ব্যবহার না করে পরিচর্চা করায় এখানে চাষকৃত লাউ খেতে খুব সুস্বাদু।

[৭] তবে স্থানীয় কৃষি অফিস এ ব্যাপারে কোন খোঁজ নেননা বলে চাষিদের অভিযোগ। প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেলে লাউ চাষের মাধ্যমে দেশের সবজির চাহিদা পূরণে আরো বেশী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে চাষিদের দাবি।

[৮] কৃষিবিভাগ থেকে বিষমুক্ত লাউ ও লাউশাকের চাষের জন্য চাষীদের নিয়মিত অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতা দেয়া হলে তারা রাসায়নিক সার, কীটনাশক ঔষধ বাদ দিয়ে জৈব ও কেঁচোসার ব্যবহার করে উৎপাদন করবেন বিষমুক্ত লাউ। আর এতে চাষী ও ভোক্তা উভয়েই লাভবান হবেন। সম্পাদনা: সাদেক আলী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত