প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দক্ষিণ আফ্রিকার ‘মিউট্যান্ট স্ট্রেন’কে টিকায় কাবু করা নিয়ে সংশয় ব্রিটিশ বিজ্ঞানীদের

রাশিদুল ইসলাম : [২] ব্রিটিশ বিজ্ঞানীদের দাবি, ব্রিটেন স্ট্রেন বি.১.১.৭ প্রজাতিকে ভ্যাকসিনে কাবু করা সম্ভব হলেও ‘ দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন ভাইরাসের ধরনের ওপর তা কতটা কার্যকরী হবে সে নিয়ে সংশয় আছে। ব্র্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক বলেছেন, একদিকে করোনার নতুন স্ট্রেন ছড়িয়ে পড়েছে, তার ওপরে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকেও মিউট্যান্ট স্ট্রেন ঢুকেছে। করোনার এই ধরনকে ভ্যাকসিনে নির্মূল করা কষ্টকর হবে। ডেইলি মেইল

[৩] হ্যানকক বলছেন, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে গত কয়েক সপ্তাহে যারা ব্রিটেনে ঢুকেছেন, তাদের মাধ্যমেই নতুন ভাইরাল স্ট্রেন ছড়িয়ে পড়েছে নানা জায়গায়। দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া করোনার নতুন প্রজাতির নাম ‘৫০১.ভি২’। সার্স-কভ-২ ভাইরাসের এই নতুন ভ্যারিয়ান্ট ব্রিটেনের স্ট্রেনের চেয়েও বেশি ছোঁয়াচে বলে দাবি করছেন বিজ্ঞানীরা।

[৪] খুব দ্রুত বিভাজিত হতে পারে এটি। জিনগত বদল বা জেনেটিক মিউটেশনের কারণে এই নতুন স্ট্রেন আরও বেশি সংক্রামক। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার যে স্ট্রেন প্রথম মিলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকায় তার থেকে নতুনটি অনেকটাই আলাদা। বিজ্ঞানীদের ধারণা ভাইরাসের জিনের গঠন বিন্যাস বদলের কারণে এই নতুন স্ট্রেন ছড়িয়েছে। করোনার রিইনফেকশন বা পুণঃসংক্রমণও ঘটাতে পারে এই নতুন ভাইরাল স্ট্রেন।

[৫] অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির মেডিসিন বিভাগের বিশেষজ্ঞ জন বেল বলেছেন, ব্রিটেন-স্ট্রেনে স্পাইক প্রোটিনের দুটি অ্যামাইনো অ্যাসিডের কোড বদলেছে। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার ভ্যারিয়ান্টের স্পাইক প্রোটিনে ক্রমাগত বদল হয়ে চলেছে। বহুবার জিনের গঠন বদলেছে এই ভাইরাস। এত দ্রুত বদল হচ্ছে যে ভ্যাকসিনের প্রভাব কেমন পড়বে সে নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত