প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জনির কিশোর গ্যাংয়ে আছে কিশোরীরাও!

ডেস্ক রিপোর্ট:  রাজধানীতে সাততলা বস্তির জনির কিশোর গ্যাংয়ের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। চুরি-ছিনতাইয়ের টাকা দিয়ে নেশা করাই এই গ্যাংয়ের কাজ। কিশোরদের পাশাপাশি কিশোরী সদস্যও আছে এই গ্যাংয়ে। এই গ্রুপের হাতেই প্রাণ গেছে স্কুলছাত্র আরিফ হোসেনের। আরিফ হত্যা মামলায় জনি ও জোনাকি নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকিদের ধরতে চলছে অভিযান। ইনডিপেনডেন্ট টিভি

ছেলের কথা মনে করেই কান্নায় ভেঙে পড়েন মহাখালী কাঁচাবাজারে খুন হওয়া কিশোর আরিফের মা। একমাত্র ছেলে আর বেঁচে নেই সেটা বিশ্বাসই করতে পারছেন না তিনি। বাবা টং দোকান ও মা পোশাক কারখানায় চাকরি করে অনেক কষ্টে লেখাপড়া করাচ্ছিলেন আরিফকে। মহাখালী মডেল হাই স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিফকে পুলিশ অফিসার বানানোর স্বপ্ন ছিলো বাবা-মায়ের।

নিহত আরিফের মা খাদিজা বেগম বলেন, ছেলে হত্যার সঠিক বিচার চাই। আর যেন কোনো মায়ের কোল খালি না হয়। এই কষ্ট সইতে পারছি না।

৭তলা বস্তিতে গিয়ে জানা যায়, জনি গ্রুপ ও স্থানীয় দুই ভাই রবিন ও হাসানের মধ্যে নেশা করা নিয়ে বিরোধ হয়। এর জেরেই মহাখালী কাঁচাবাজারের পাশে রবিনকে মারধর করে জনি। খবর পেয়ে হাসান তার বন্ধু আরিফকে নিয়ে বাঁচাতে যায়। পরে হাসানকেও মারধর শুরু করে জনি। বাধা দিলে আরিফকে এলোপাথারি ছুরিকাঘাত করে জনি।

ঢাকা মেডিকেলের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ জানিয়েছেন, ছুরির আঘাতে আরিফের ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জনি গ্রুপের সদস্যদের উৎপাতে অতিষ্ট তারা। চুরি-ছিনতাই করে নেশা করাই ছিলো এদের কাজ। কেউ বাধা দিলে তাকেও মারধর করতো এই গ্রুপ। জনির অত্যাচারে অতিষ্ট তার মাও। বিচার চেয়েছেন নিজ সন্তানের।

ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী জানান, কিশোর গ্যাংয়ে কিশোরীরাও জড়িয়ে পড়ছে। এ গ্রুপে জনি ছাড়াও আছে নুরু, টিপু, জোনাকি ও সোনামনি। এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। এরইমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছে জনি ও জোনাকি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত