প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দেখতে দেখেতে সরকারের ১২ বছর চলে গেল, বিএনপির আন্দোলন কোন বছর: ওবায়দুল কাদের

সমীরণ রায়: [২] ‘নতুন বছরে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটানো হবে’ বিএনপি মহাসচিবের এই ঘোষণা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের বস্তুগত দিক এখন দেশে নেই। দেশ ও জনগণের স্বার্থ বিএনপির রাজনৈতিক কৌশলে প্রাধান্য পাচ্ছে না। জনগণও এখন তাদের আন্দোলনের কথা শুনলে হাসে।

[৩] তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অধিকতর সুগঠিত এবং স্মার্ট একটা দল গড়ে তোলা হবে। দলের অভ্যন্তরে শৃঙ্খলা আরও মজবুত করা হবে। সারাদেশে যে সব জেলা ও মহানগরে কমিটি হয়নি, সেসব এলাকায় সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হবে। বিতর্কিতরা যাতে দলের নেতৃত্বে আসতে না পারে, সে বিষয়ে দল সচেষ্ট থাকবে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকারকে অব্যাহত সহযোগিতা দিয়ে যাব আওয়ামী লীগ।

[৪] সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, নতুন বছরে সড়ক ও মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এবিষয়ে সংশ্লিষ্টদের যত্নবান হতে হবে। একই সঙ্গে যাত্রীদের সুরক্ষায় যা যা করার তা করতে হবে। সড়কে ৩ চাকার মটরযান বন্ধ করতে হবে এবং মটরযান নির্মানের কারখানাগুলোও বন্ধ করার নির্দেশ দেন তিনি।

[৫] বিআরটিএ দালালমুক্ত করতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, কারও কারও দালালদের সঙ্গে যোগসাজশ রয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। গাড়িতে যত আসন তত যাত্রী অবশ্যই মানতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও মালিক-শ্রমিকদের প্রতি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন মন্ত্রী।

[৬] শনিবার বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তার বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এসব কথা বলেন।

[৭] বনানীর বিআরটিএ প্রান্তে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, বিআরটিএর চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত