প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শুভ কামাল: ঘুষখোর আর দুর্নীতিবাজদের মানসিক কাউন্সেলিং দরকার

শুভ কামাল : বাংলাদেশের ঘুষখোর আর দুর্নীতিবাজদের মানসিক কাউন্সেলিং দরকার। আমার ধারণা অনেক লোকে প্রয়োজন ছাড়াই ঘুষ খায়, এটা অনেকটা অভ্যাসের মত হয়ে গেছে। ভাই একশো কোটি টাকা, এক হাজার কোটি টাকা খরচ করতে কতোবার জন্ম নেওয়া লাগবে কেউ কি ভেবে দেখেছেন? কয়েক মাস আগের ঘটনা। এক লোক শেষ বয়সে সচিব হয়েছে, সচিব হওয়ার কয়েকদিন আগে করোনায় তার স্ত্রী মারা গেছে। সে সচিব হওয়ার কয়েক দিনের মাঝে করোনা সংক্রান্ত খাত থেকেই ৭ লাখ টাকা ঘুষ খায়। ব্যাপারটা ভাবুন, কোনো ধরনের মানসিক অসুস্থতা থাকলে সদ্য করোনায় স্ত্রীহারা লোক ৭ লাখ টাকা করোনাখাত থেকে ঘুষ খায়? সারাজীবন চুরি করছে তো করেছেই, এখন শেষ বয়সে এই টাকা দিয়ে সে করবে টা কি। যে আমাকে খবরটা দিলো সে বললো ভাই দেখেন এই লেভেলের লোক ৭ কোটি টাকা খাইলেও মানা যাইতো, কিন্তু এই পর্যায়ের লোক ৭ লাখের জন্য ছ্যাঁচড়ামি করে, এই লেভেলের ছ্যাঁচড়ামি দেখে তো আমার নিজেরই লজ্জা লেগেছে। মজার বিষয় হচ্ছে এক সাংবাদিক আবার সেই সাত লাখ থেকে ভাগ চাইছিলো। সেটা নিয়ে রাস্তার লোকেদের মতো সে দরদামও করেছিলো! মানুষের কিছু প্রয়োজন হয়তো আছে যেটা সরকারি টাকা দিয়ে পূরণ করা যায় না। না হয় এক দুই কোটি টাকা ঘুষ খেয়ে একটা বাড়ি বানালো সেটা মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু একশো দুইশো কোটি টাকার প্রয়োজনটা কি মানুষের তাই আজপর্যন্ত বুঝলাম না। বেগমপাড়ার চোরেদের একটা সমাজ আছে, বেগমপাড়ায় দুই চারটা বাড়ি না থাকলে মনে হচ্ছে সে সমাজে মানইজ্জত থাকে না। এই জন্যই বলছি তাদের ধরে ধরে অপমান করতে হবে, লজ্জা দিতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় তাদের সরকারি খরচে মানসিক কাউন্সেলিং দিলে।

সেই কাউন্সেলিং এর শুরুতেই থাকবে সেই সুখী মানুষের জামার গল্পটা। এক বড়লোক মোড়লের মনে সুখ নেই, চোখে ঘুম নেই। তারে এক দরবেশ টাইপের লোক পরামর্শ দিলো সুখী মানুষের জামা পরলে তার ঘুম টুম ভালো হবে, সে সুখী হবে। সে সুখী মানুষ খুঁজতে গিয়েই পরলো ঝামেলায়, যতো বড়লোকদের জিগায় কোনো সুখী মানুষ আর পায়না। যাকেই জিজ্ঞেস করে সেই বলে অসুখী। অবশেষে পাওয়া গেল এক সুখী মানুষ এক কুঁড়েঘরে। জিজ্ঞেস করতেই সুন্দর হেসে সে বললো আমি সুখী। সে জঙ্গলে কাঠ কাটে, সারাদিন পরিশ্রম করে আর রাত হলেই পরিশ্রান্ত হয়ে শুয়ে পরে। পৃথিবীর কোনো বিষয় নিয়ে তার টেনশন নেই, কোনো অভিযোগ নেই, তার চোখে মুখে প্রশান্তির ছাপ। তারা সেই লোককে বললো তার একটা জামা দিতে। সে বললো জামা দিতে পারবে না। মোড়লের লোকেরা আরো বেশি টাকা অফার করলো। সে জানালো আসলে তার জামাই নেই। এইযে মানুষকে বঞ্চিত করা টাকা। এসব টাকায় কেউ সুখী হতে পারে? এইগুলা কি টাকা? নাকি আসলে অভিশাপ? সুখ কি জিনিস তা কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে চোরগুলোকে বুঝিয়ে দিলে উপকার পাওয়া যেতে পারে বলে আমার ধারণা। নতুন বছরে চোরগুলোর শুভবুদ্ধির উদয় হোক এই আশাই করি…। ফেসবুক থেকে
ঘুষখোর আর দুর্নীতিবাজদের মানসিক কাউন্সেলিং দরকার

শুভ কামাল : বাংলাদেশের ঘুষখোর আর দুর্নীতিবাজদের মানসিক কাউন্সেলিং দরকার। আমার ধারণা অনেক লোকে প্রয়োজন ছাড়াই ঘুষ খায়, এটা অনেকটা অভ্যাসের মত হয়ে গেছে। ভাই একশো কোটি টাকা, এক হাজার কোটি টাকা খরচ করতে কতোবার জন্ম নেওয়া লাগবে কেউ কি ভেবে দেখেছেন? কয়েক মাস আগের ঘটনা। এক লোক শেষ বয়সে সচিব হয়েছে, সচিব হওয়ার কয়েকদিন আগে করোনায় তার স্ত্রী মারা গেছে। সে সচিব হওয়ার কয়েক দিনের মাঝে করোনা সংক্রান্ত খাত থেকেই ৭ লাখ টাকা ঘুষ খায়। ব্যাপারটা ভাবুন, কোনো ধরনের মানসিক অসুস্থতা থাকলে সদ্য করোনায় স্ত্রীহারা লোক ৭ লাখ টাকা করোনাখাত থেকে ঘুষ খায়? সারাজীবন চুরি করছে তো করেছেই, এখন শেষ বয়সে এই টাকা দিয়ে সে করবে টা কি। যে আমাকে খবরটা দিলো সে বললো ভাই দেখেন এই লেভেলের লোক ৭ কোটি টাকা খাইলেও মানা যাইতো, কিন্তু এই পর্যায়ের লোক ৭ লাখের জন্য ছ্যাঁচড়ামি করে, এই লেভেলের ছ্যাঁচড়ামি দেখে তো আমার নিজেরই লজ্জা লেগেছে। মজার বিষয় হচ্ছে এক সাংবাদিক আবার সেই সাত লাখ থেকে ভাগ চাইছিলো। সেটা নিয়ে রাস্তার লোকেদের মতো সে দরদামও করেছিলো! মানুষের কিছু প্রয়োজন হয়তো আছে যেটা সরকারি টাকা দিয়ে পূরণ করা যায় না। না হয় এক দুই কোটি টাকা ঘুষ খেয়ে একটা বাড়ি বানালো সেটা মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু একশো দুইশো কোটি টাকার প্রয়োজনটা কি মানুষের তাই আজপর্যন্ত বুঝলাম না। বেগমপাড়ার চোরেদের একটা সমাজ আছে, বেগমপাড়ায় দুই চারটা বাড়ি না থাকলে মনে হচ্ছে সে সমাজে মানইজ্জত থাকে না। এই জন্যই বলছি তাদের ধরে ধরে অপমান করতে হবে, লজ্জা দিতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় তাদের সরকারি খরচে মানসিক কাউন্সেলিং দিলে।

সেই কাউন্সেলিং এর শুরুতেই থাকবে সেই সুখী মানুষের জামার গল্পটা। এক বড়লোক মোড়লের মনে সুখ নেই, চোখে ঘুম নেই। তারে এক দরবেশ টাইপের লোক পরামর্শ দিলো সুখী মানুষের জামা পরলে তার ঘুম টুম ভালো হবে, সে সুখী হবে। সে সুখী মানুষ খুঁজতে গিয়েই পরলো ঝামেলায়, যতো বড়লোকদের জিগায় কোনো সুখী মানুষ আর পায়না। যাকেই জিজ্ঞেস করে সেই বলে অসুখী। অবশেষে পাওয়া গেল এক সুখী মানুষ এক কুঁড়েঘরে। জিজ্ঞেস করতেই সুন্দর হেসে সে বললো আমি সুখী। সে জঙ্গলে কাঠ কাটে, সারাদিন পরিশ্রম করে আর রাত হলেই পরিশ্রান্ত হয়ে শুয়ে পরে। পৃথিবীর কোনো বিষয় নিয়ে তার টেনশন নেই, কোনো অভিযোগ নেই, তার চোখে মুখে প্রশান্তির ছাপ। তারা সেই লোককে বললো তার একটা জামা দিতে। সে বললো জামা দিতে পারবে না। মোড়লের লোকেরা আরো বেশি টাকা অফার করলো। সে জানালো আসলে তার জামাই নেই। এইযে মানুষকে বঞ্চিত করা টাকা। এসব টাকায় কেউ সুখী হতে পারে? এইগুলা কি টাকা? নাকি আসলে অভিশাপ? সুখ কি জিনিস তা কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে চোরগুলোকে বুঝিয়ে দিলে উপকার পাওয়া যেতে পারে বলে আমার ধারণা। নতুন বছরে চোরগুলোর শুভবুদ্ধির উদয় হোক এই আশাই করি…। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত