প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন জনগণের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে : ন্যাপ

সমীরণ রায়: [২] বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া এক বিবৃতিতে আরও বলেন, ভোটের ওপরে মানুষের আস্থা নেই। ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর মানুষ ভোটের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। তারা (জনগণ) মনে করছেন ভোট দিয়ে আর লাভ কী? ছুটি পেয়েছি ঘুমাই। মানুষের মনের মধ্যে একটা কথা, আমি গেলেই কী, না গেলেই কী? এই রকম ধারণা যখন জন্মে তখন ভোটের প্রতি মানুষের আগ্রহ থাকে না। যা গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়। যার প্রমাণ ৩০ ডিসেম্বর পরবর্তী উপজেলা, সিটি করপোরেশন, উপনির্বাচনসহ সর্বশেষ পৌর নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি তারই প্রমাণ।

[৩] তারা বলেন, নির্বাচন নিয়ে জনগণ আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। গত দুই বছরের সব নির্বাচনেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়। মসজিদে মসজিদে ঘোষণা দিয়েও ভোটারদের আনা যায় না। এটা নির্বাচনের জন্য শুধু নয়, গণতন্ত্রের জন্যও বিপজ্জনক। এমনকি সরকারি দলের প্রার্থীদের অভিজ্ঞতাও করুণ। নির্বাচন কমিশন, প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও এই বিষয়ে কোনো ধরনের গুরুত্ব দিচ্ছেন না। এর ফলে নির্বাচন ও সামগ্রিক নির্বাচন ব্যবস্থা সম্পর্কে জনমনে অনাস্থা সৃষ্টি হয়েছে। ভোট দেওয়ার ব্যাপারে জনগণ আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে।

[৪] তারা আরও বলেন, দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা নির্বাসনের পথে পা দিয়েছে। নির্বাচনের প্রতি ভোটারদের দিন দিন অনাগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়া এবং নিরুৎসাহ দেখা দিয়েছে। গত একাদশ নির্বাচনের পর মানুষ নির্বাচন ব্যবস্থা ও নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। এই নির্বাচন বিমুখতা শেষ অবধি গণতন্ত্র বিমুখতায় পর্যবসিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের এমন অনাগ্রহ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য ইতিবাচক নয়। সুতরাং গণতন্ত্রের স্বার্থেই সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই অবস্থা অবসানের লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।

[৫] মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তারা এসব কথা বলেন। সম্পাদনা: ফরহাদ বিন নূর

সর্বাধিক পঠিত