প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ফটিকছড়িতে যৌথ অভিযানে ৪ ইটভাটা ধ্বংস, ৩ লাখ টাকা জরিমানা

ওমর ফয়সাল: [২] চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা চার ইটভাটা ধ্বংস এবং একটি ইটভাটাকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছে প্রশাসন।

[৩] সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল থেকে দিন্যব্যাপী যৌথ অভিযান চালিয়ে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের জনতা ব্রিকস, এস এন্ড বি ব্রিকস, এবি ব্রিকস এবং সুয়াবিল ইউনিয়নের জে.এন ব্রিকস নামক চারটি ইটভাটা ভেঙে গুড়িয়ে দেয় পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়াও পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র নবায়ন না করায় পাইন্দং ইউনিয়নের ফাইন্স ব্রিকস নামক একটি ইটভাটাকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

[৪] জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারজান হোসাইনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিপুটি ডাইরেক্টর (ডিডি) জমির উদ্দীন, এডিশনাল ডিপুটি ডাইরেক্টর (এডিডি) আফজারুল ইসলাম, ফটিকছড়ি নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সায়েদুল আরেফিনসহ র‌্যাব-৭, ফটিকছড়ি থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

[৫] চট্টগ্রাম পরিবেশ অধিদপ্তরের ডিপুটি ডাইরেক্টর (ডিডি) জমির উদ্দীন জানান, চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের লাইসেন্সবিহীন পরিচালিত হচ্ছে অনেক ইটভাটা। এসব অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অধিদপ্তরের নিয়মিত কার্যক্রম হিসেবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। চট্টগ্রামের সকল উপজেলায় এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হবে এবং এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

[৬] জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারজান হোসাইন বলেন, ‘হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী চট্টগ্রামের যেসব অবৈধ ইটভাটা রয়েছে সেগুলো ভেঙে ফেলা হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ফটিকছড়ি প্রায় ৪১টি অবৈধ ইটভাটা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব অবৈধ ইটভাটা ভেঙে দেয়া হবে। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন ২০১৩ অনুযায়ী জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের লাইসেন্স, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, বন বিভাগের ছাড়পত্র প্রয়োজন।’ এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। সম্পাদনা: হ্যাপি

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত