শিরোনাম
◈ ধানের শীষে নির্বাচন করতে সালাহউদ্দিনের বাসায় গিয়েছিলেন আসিফ মাহমুদ: রাশেদ খাঁন ◈ মালয়েশিয়ার সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পথে বাংলাদেশ, আলোচনা শুরু মঙ্গলবার ◈ মহাসড়ক সংস্কারে অনিয়ম ঠেকাতে আসছে নতুন নীতিমালা ◈ বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে বাংলাদেশে আবারও বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করল নেপাল ◈ সেন্টমার্টিন ভ্রমণে নতুন নিয়ম: দৈনিক ৩৫০০ পর্যটকের অনুমতি, যাওয়া যাবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত ◈ গ্যাস সংকটে দুই দিন পরই বন্ধ যমুনা সার কারখানার উৎপাদন ◈ ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার গুঞ্জন, অস্থিরতা বরদাশত করবে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ টঙ্গীতে ৭ বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, মাদ্রাসাশিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে জাপানে যাচ্ছেন যারা ◈ ক্লাসিকোতে প্রতিশোধের অপেক্ষায় রিয়াল মা‌দ্রিদ, আধিপত্য ধরে রাখতে চায় বার্সেলোনা, রাত ১টায় ম‌্যাচ

প্রকাশিত : ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:৩৮ দুপুর
আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:৩৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইয়াবা পৌঁছে দিলেই পেতেন ৩ লাখ টাকা!

নিউজ ডেস্ক: দুজন শিক্ষার্থী আর একজন কৃষক। সঙ্গী আরও একজন। চারজন মিলে ১ লাখ ৪৬ হাজার ইয়াবা নিয়ে দুটি মোটরসাইকেলে করে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হন। পৌঁছে দিতে পারলেই মিলবে নগদ ৩ লাখ টাকা। নগদ টাকার হাতছানি তাদের ঠেলে দেয় অন্ধকারের দিকে। তবে ইয়াবাগুলো নির্দিষ্ট ব্যক্তির হাতে পৌঁছে দেওয়ার আগেই ধরা পড়েছেন তিনজনই। অন্যজন মাঝপথে নেমে যান। তাকে পুলিশ খুঁজছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বাঁশখালী-চট্টগ্রাম সড়কের আনোয়ার কালাবিবির দীঘির মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৪৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ তারা পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। তাদের কাছ থেকে দুটি মোটরসাইকেল ছাড়াও পাঁচটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন- মাহমুদুল হক, মো. ইব্রাহিম ও জাহেদ হোসাইন। তাদের বাড়ি টেকনাফ সদর ইউনিয়নের লেঙ্গুরবিল এলাকায়। তাদের মধ্যে মাহমুদুল হক টেকনাফ কলেজের বিবিএ ও জাহেদ হোসাইন একই কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী এবং ইব্রাহিম কৃষক। তারা বহনকারী হিসেবে ইয়াবা নিয়ে আসছিলেন চট্টগ্রামে। তাদের সঙ্গে ছিলেন আরও একজন। তিনি পটিয়া এলাকায় এসে চট্টগ্রামে আর আসেননি।

পুলিশ সূত্র জানায়, বাঁশখালী-চট্টগ্রাম সড়কের আনোয়ারা কালাবিবির দীঘির মোড়ে দুই মোটরসাইকেল আরোহীকে থামার ইঙ্গিত দিলে তারা মোটরসাইকেল রেখে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। আটকের পর তল্লাশি চালালে তাদের দুটি ব্যাকপ্যাকে ১৪টি ইটসদৃশ খাকি কাগজে মোড়ানো প্যাকেটের প্রতিটিতে দশ হাজার পিস ইয়াবা এবং ৩০টি নীল রং পলিপ্যাকের প্রতিটিতে দুইশ পিস ইয়াবসহ মোট ১ লাখ ৪৬ হাজার ইয়াবা পাওয়া যায়।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক বলেন, গ্রেপ্তার তিনজন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তারা টেকনাফ থেকে ইয়াবার চালান চট্টগ্রাম নিয়ে আসছিলেন। চট্টগ্রামে এ ইয়াবার চালান পৌঁছে দিলে তারা তিন লাখ টাকা পেতেন। কার কাছে এসব চালান পৌঁছানোর কথা ছিল তা খুঁজে বের করা হচ্ছে। তাদের সঙ্গী মাঝপথে নেমে যাওয়া ওই ব্যক্তিকেও খোঁজা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, চলতি বছর প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। আর ইয়াবা পাচারের পথ হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে আনোয়ারা, পটিয়া ও বাঁশখালী সড়ক। এসব স্থানে গোয়েন্দা নজরদারিসহ পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে।

পুলিশ সুপার অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ করে বলেন, আপনার সন্তান কী করছে সেটা খোঁজ রাখুন। তারা স্কুল-কলেজে পড়ালেখা করার পাশাপাশি মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়ছে কিনা সেটা খেয়াল রাখুন। কারণ শিক্ষার্থীদের টাকার লোভ দেখিয়ে মাদক কারবারে ব্যবহার করছে মাদক কারবারিরা। তাই পরিবারকে সচেতন থাকতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মশিউদ্দৌলা রেজা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মহিউদ্দীন মাহমুদ সোহেল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পটিয়া সার্কেল) মো. তারিক রহমান ও আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম দিদারুল ইসলাম সিকদার প্রমুখ। সূত্র: আমাদের সময়