প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বগুড়ার শেরপুরে ঘন কুয়াশার সঙ্গে শৈত্যপ্রবাহে শঙ্কায় কৃষকরা, পঁচে যাচ্ছে রবি শস্য

আবু জাহের: [২] পৌষের শুরুতেই বগুড়া শেরপুরসহ উত্তরাঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত। দিন দিন শীতের তীব্রতা বাড়ছে। বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় গত কয়েক দিনে শীতের তীব্রতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিপাকে পড়েছেন ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষরা। বিশেষ করে সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢাকা থাকে চারদিক। সবচেয়ে দুর্ভোগে পড়েছে কৃষক, শ্রমজীবী-হত দরিদ্র ও ছিন্নমুল মানুষরা। শ্রমজীবীদের দূর্দশা চরমে। কাজে বের হতে পারছেন না অনেকেই। ক্ষেতে পঁচে যাচ্ছে রবি শস্য।

[৩] প্রচণ্ড শীত আর ঘন কুয়াশায় পঁচে যাচ্ছে শিম, লাউ, করলা, মিষ্টিকুমড়া, আলু, শাক-সবজিসহ বিভিন্ন রবি শস্য। ফসল রক্ষায় সার ও কীটনাশক ব্যবহার করেও কোনো কাজ হচ্ছে না। ফলে কৃষকদের দিন কাটছে হতাশায়। শেরপুর উপজেলায় চলতি রবি মৌসুমে প্রায় ২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন শাকসবজির চাষ হয়েছে।

[৪] তবে কৃষি বিভাগ বলছে, বৈরী আবহাওয়ায় রবি ফসল রক্ষায় প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আর আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, জানুয়ারির শুরুতেই টানা শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়বে দেশ। এবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চাহিদার চেয়েও বেশি রবি শস্য চাষ করেছে কৃষক। টানা বন্যার কারণে অন্য সময়ে সবজির বাজার ছিল চড়া। এ কারণে এবার সবজি চাষ করা হয় বেশি। কিন্তু মৌসুমের শুরুতেই তীব্র শীতের সঙ্গে ঘন কুয়াশায় কৃষকের স্বপ্নের ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। নষ্ট ফসল ও পাতা পঁচা রোগ থেকে বাঁচাতে কয়েক দফা কীটনাশক প্রয়োগ করেও মিলছে না প্রতিকার।

[৫] কৃষকরা জানান, কুয়াশা ও শীতে শীম গাছের পাতা লাল হয়ে পচে যাচ্ছে। কীটনাশক দিয়েও কোনো কাজ হচ্ছে না। গাছ বাঁচাতে না পারলে বিশাল আর্থিক ক্ষতি হয়ে যাবে। গত মৌসুমে ভালো দাম পেয়ে এবারও বেশি জমিতে সবজি চাষ করেছেন অনেক কৃষক কিন্তু বৈরী আবহাওয়ায় দেখা দিয়েছে পচনজনিত রোগ।

[৬] উপজেলা কৃষি সম্পাসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার বলেন, আমরা সবসময় কৃষককে পরামর্শ দিচ্ছি। কৃষকদের কাছে মোবাইল নম্বর দেওয়া আছে। এ ছাড়াও আমরা কৃষকদের মধ্যে পরামর্শপত্রও বিতরণ করছি।

[৭] শেরপুরে সবজি চাষের পাশাপাশি উৎপাদন করা হয় সবজির চারা। নির্দিষ্ট অঞ্চল ছাড়াও উপজেলার অন্য এলাকাতেও কমবেশি সবজি চাষ হয়ে থাকে। সম্পাদনা: হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত