শিরোনাম
◈ জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তা সংকটে দেশের পেট্রোল পাম্প বন্ধের শঙ্কা, মালিকদের সতর্কবার্তা ◈ যৌ.ন আকাঙ্ক্ষা বাড়াতে টেস্টোস্টেরন থেরাপি: সমাধান নাকি লাভজনক ব্যবসা? ◈ ইরান সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে অর্থনীতির বড় ধাক্কা, ঝুঁকির তালিকায় শীর্ষে কারা ◈ শিশুসহ ৩৩ বাংলাদেশি বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ◈ এবার বিশ্বনেতাদের কাছে ইরানকে রুখতে যে আহ্বান জানালেন নেতানিয়াহু ◈ ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ শেষ করার জন্য অবশেষে যে পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে তুরস্ক ◈ কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গোলাগুলি; গুলিবিদ্ধ ৪ ◈ ১৫ বছর বয়‌সে অভিষেক ম্যাচে সেঞ্চুরি করে ইতিহাস! ◈ হাদিকে হত্যা জামায়াত-বিএনপির চাল হতে পারে: দাবি অভিযুক্ত ফয়সালের ◈ একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতির দাবিতে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব

প্রকাশিত : ২১ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৭:৪৯ সকাল
আপডেট : ২১ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৭:৪৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বেলজিয়ামে হালাল ও কোশার নিয়ে সংশয় জাগানো আইন

ডয়চে ভেলে: ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ আদালত বেলজিয়ামের একটি আইন বহাল রাখার রায় দিয়েছে, যার ফলে মুসলমান ও ইহুদিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে সংশয়৷

২০১৭ সালে বেলজিয়ামের ফ্লান্ডার্স অঞ্চল একটি আইন প্রণয়ন করে, যাতে বলা হয়, জবাই করার আগে প্রাণীকে বৈদ্যুতিক শক দিতে হবে৷ কিন্তু জবাইয়ের আগে শক দিয়ে মারলে সেই প্রাণীকে হালাল বা কোশার পণ্য হিসাবে গণ্য করা হবে কিনা, তা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক৷ বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ আদালত জানায় যে, এই আইনকেই বহাল রাখার পক্ষে তারা৷ সংবাদসংস্থা রয়টার্স বলছে, এতে করে ইউরোপের অন্যান্য দেশে এমন আইন প্রণয়ন করার পথ খুলতে পারে৷

এই আইনের বিরুদ্ধে ২০১৭ সাল থেকেই সরব ছিল বিভিন্ন ইহুদি ও ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সংগঠন৷ তারা তখন বলেন যে, কোনো প্রাণীর মাংস হালাল বা কোশার হতে গেলে সেই প্রাণীকে আগে শক দেওয়া যাবে না৷ কিন্তু বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ আদালতের মত, বেলজিয়ান আইনটি বহাল রাখাই সঠিক, কারণ, ধর্মে প্রচলিত আচারকে এই আইন সম্পূর্ণভাবে খারিজ করছে না৷

একই সাথে, এই শক দেওয়াতে আংশিকভাবে ধর্মচর্চায় বিঘ্ন ঘটবে, তা স্বীকার করে আদালত৷ কিন্তু ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সার্বিক প্রাণিকল্যাণ নীতির কথা মাথায় রেখেই আদালত এমন রায় দিয়েছে৷

পক্ষে ও বিপক্ষে যারা
এই রায়ের প্রতিবাদে বেলজিয়াম ও লুক্সেমবুর্গে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত এমানুয়েল নাহশন একটি টুইট করেন৷ সেখানে তিনি বলেন, এই রায় ‘সর্বনাশা সিদ্ধান্ত, যা ইউরোপের ইহুদি জনজীবনকে বিপর্যস্ত করবে’৷ টুইটে তিনি আরো বলেন, ‘‘ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এখন আর ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের রক্ষা করে না৷ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কোর্ট অফ জাস্টিস তার সদস্যরাষ্ট্রগুলিকে এখতিয়ার দিচ্ছে বিধিসম্মত কসাইখানায় ধর্মীয় জবাইকে নিষিদ্ধ করার৷’’

এদিকে, এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছে বেলজিয়ানের প্রাণী অধিকার সংস্থা ‘গ্লোবাল অ্যাকশন ইন দ্য ইন্টারেস্ট অফ অ্যানিমেলস’ বা জিএআইএ৷ তারাও একমত যে, এই রায় ইউরোপের অন্যান্য দেশে সমধর্মী আইন প্রণয়নের পথ খুলবে৷ কিন্তু বেলজিয়ামের ইহুদি সংগঠন সিসিওজেবি জানিয়েছে, এই রায়ের বিরুদ্ধে তাদের আন্দোলনও চলবে৷

গ্রন্থনা: ফরহাদ বিন নূর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়