প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] এক বছরেও পুলিশ দেখেনি রাজশাহী সীমান্তের চরখিদিরপুর এলাকার মানুষ

ইসমাঈল ইমু, রাজশাহী থেকে ফিরে : [২] পদ্মার ভাঙ্গনে প্রায় বিলীন রাজশাহীর পবা উপজেলার চরখিদিরপুর গ্রাম। এক সময় এখানে ২০ হজাজারের বেশি মানুষের বসবাস থাকলেও এখন মাত্র আড়াই হাজার। মৌলিক অধিকার বঞ্চিত এই এলাকায় দুটি প্রাইমারি স্কুল ও নামে মাত্র একটি হাইস্কুল ও মাদ্রাসা রয়েছে। এই হাইস্কুলটি বিলীন হয়ে গেলে শিক্ষা ব্যবস্থা বলে কিছু থাকবেনা। পাশাপাশি বাল্য বিবাহের প্রবনতা আরো বৃদ্ধি পাবে।

[৩] স্থানীয়রা বলছেন, এখান অনেক মানুষই পদ্মার ভাঙ্গনে নি:স্ব হয়ে গেছে। কারো কারো বড় দালান ছিল। সরকারি অফিস আদালতও ছিল। এখন কিছু পতিত জমি, গুটি কয়েক গরু-বাছুর আর নদী থেকে মৎস্য আহরণই আয়ের উৎস। নিন্ম আয়ের এসব মানুষ আইনগত কোনো ঝামেলার মোকাবিলা করতে গেলে পদ্মা পাড়ি দিয়ে ওপারের কাটাাখালি থানায় যেতে হয়। তবে ছোটোখাটো যেকোনো সমস্যা বিজিবি ক্যাম্পেই মীমাংসা হয়ে থাকে।

[৪] স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, গ্রাম থেকে নৌকায় সোজাসুজি মাত্র ৪শ’ মিটার পথ পার হতে পারলেই ৪০ মিনিটে পৌঁছে যেতে পারতেন রাজশাহী শহরে। কিন্তু সোজাসাপ্টা পথে পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে যেতে পারেন না তারা। কারণ এই ৪শ’ মিটার পথ নিজের দেশের নয়, ভারতের। সে কারণেই ১৭ কিলোমিটারের বেশি অন্য পথে ঘুরে তাদের পৌঁছাতে হয় রাজশাহীতে। ভারতের এই জলসীমা তারা পুরোপুরি ব্যবহারের অনুমতি পেলে চিকিৎসা, বাজারহাটসহ নানা কাজে রাজশাহী যাতায়াত তাদের জন্য সুবিধাজনক হবে এবং খুবই কম সময় লাগবে।

[৫] এই বিষয়ে বিজিবির রাজশাহী সেক্টর কমান্ডার কর্নেল তুহিন মোহাম্মদ মাসুদ বলেন, সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। শীতকালে পদ্মার ভারতীয় অংশের প্রায় সাড়ে ৪শ’ মিটার জলপথ ব্যবহারের চেষ্টা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আগামী ২২ ডিসেম্বর আসামের গোহাটিতে দুই দেশের মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনে আলোচনা করা হবে।

[৬] কাটাখালি থানার ওসি মো. জিল্লুর রহমান বলেন, পর্যাপ্ত লজিজস্টিক সাপোর্ট না থাকায় ওই এলাকায় সাধারনত পুলিশ যায়না। সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় বিজিবির অনুমতি নিয়ে যেতে হয়। এরপরও পুলিশ মাঝেমধ্যে টহল দিয়ে থাকে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত