শিরোনাম
◈ হালান্ডের রেকর্ডের রাতেও ইতিহাদে পিএসজির জয় ◈ এক পদে দুই বেতন, ফিফা সভাপ‌তি ইনফান্তিনোকে ঘিরে নতুন বিতর্ক ◈ নারীদের প্রতি বৈষম্যের প্রতিবাদে আফগান লিগ ছাড়লেন তিন ইংলিশ ক্রিকেটার ◈ ধরা পড়ে কিশোররা, আড়ালে থেকে যায় ‘বড়ভাইয়েরা’: অপরাধ থামবে কীভাবে ? ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করতে চায় নেদারল্যান্ডস ◈ ডিজিটাল প্রতারণার ফাঁদে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা ◈ মগবাজার পেয়ারাবাগে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চার লেন রেলপথের কাজ চলতে বাধা নেই ◈ মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস ◈ ইসরায়েলে ইনটেলের সেমিকন্ডাক্টর কারখানায় বিস্ফোরণ, ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ ◈ স্কুলে ভর্তিতে বয়স নির্ধারণ, কোন শ্রেণিতে কত বছর হতে হবে যা জানাগেল

প্রকাশিত : ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০, ০২:৪৩ রাত
আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০, ০২:৪৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সন্তানদের মাদরাসায় পড়াতে ভিক্ষা করেন অসহায় মা

মিনহাজুল আবেদীন: [২] বুধবার মহান বিজয় দিবস। এ উপলক্ষে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদি ও পাদদেশে আনন্দচিত্তে ছোটাছুটি করছে ছোট ছোট শিশুরা। করোনার ভীতি থাকলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিশুদেরকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরতে এসেছেন বাবা মা ও স্বজনরা। তাদের আবদার মেটাতে জাতীয় পতাকা, বেলুনসহ বিভিন্ন পণ্য ও খাবার সামগ্রী কিনে দিচ্ছেন অভিভাবকরা।

[৩] দুপুরে সরেজমিনে হঠাৎ চোখ পড়ে বেদির সামনে কালো বোরকা পরিহিত আট কিংবা নয় বছর বয়সী একটি মেয়ে সুললিত কণ্ঠে সুরা পাঠ করছে। পাশেই একই রঙয়ের বোরকা পরিহিত এক নারীকেও বসে থাকতে দেখা যায়। সুরা পাঠের পাশাপাশি শিশুটি ও ওই নারী দুহাত পেতে আছেন। বেড়াতে আসা লোকজনের মধ্যে দু-চারজনকে পেতে রাখা হাতে ৫ বা ১০ টাকা অনুদান দিতে দেখা যায়।

[৪] তাদের নাম পরিচয় জানতে চাইলে ওই নারী তার নাম রুবি ও মেয়ের নাম লাবনি বলে জানান। রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের বাসিন্দা রুবি দুই মেয়ে ও এক ছেলের জননী। বছর দেড়েক আগে তার স্বামী মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর পর সংসারের খরচ চালাতে বিভিন্ন বাসাবাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন।

[৫] তবে কয়েক বাসায় দিনভর কাজ করে প্রতি মাসে যে টাকা বেতন পান, তা দিয়ে বাসাভাড়া ও খাবার খরচ চালাতেই হিমশিম খেতে হয় তাকে। এছাড়া তার সন্তানরা স্থানীয় মসজিদে আরবি পড়ে। রুবির স্বপ্ন ছেলে- মেয়েদের হাফেজ হিসেবে গড়ে তুলবেন। কিন্তু টাকার অভাবে তাদেরকে মাদরাসায় ভর্তি করাতে পারছেন না। ছোট ছেলে-মেয়েদের বাসায় একা রেখে বাইরে কাজে যেতে সাহস পান না, তাই গত কয়েকমাস ধরে তিনি ভিক্ষা করে সব খরচ মেটাচ্ছেন।

[৬] রুবি বলেন, কোনো দয়াশীল মানুষ যদি আমার সন্তানদের মাদরাসায় পড়ার খরচ চালানোর দায়িত্বটা নিতেন, তাহলে আমি চা ও পানের একটি ছোট্ট দোকান দিয়ে ঘরের খরচ চালাতে পারতাম। সম্পাদনা : শাহানুজ্জামান টিটু

 

  • সর্বশেষ