শিরোনাম
◈ কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা আজ, এক আসনে লড়ছেন ২৪ জন ◈ শেষ ষোলয় সেনেগালকে হারা‌তে চায় সুদান ◈ দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ৪০০ উইকেট মুস্তাফিজের ◈ গাজায় ত্রাণ সংস্থা নিষিদ্ধ করায় নেতানিয়াহুকে 'ফেরাউন' বললেন এরদোগান ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার খাজা বললেন, আমি গর্বিত মুসলিম  ◈ চলতি মাসে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ◈ নলডাঙ্গায় জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে সড়কে অগ্নিসংযোগ, ককটেল ও পেট্রোল বোমা উদ্ধার ◈ ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াতে পেট্রাপোল বন্দরে ‘প্যাসেঞ্জার ইউজার চার্জ’ বসালো ভারত ◈ ‘আমরা থানা পুড়িয়েছি, এসআইকে জ্বালিয়ে দিয়েছি’ : বৈষম্যবিরোধী নেতা ◈ টিকে থাকলেও থমকে গেল গতি—২০২৫ সালে বাংলাদেশের অর্থনীতির বাস্তব চিত্র

প্রকাশিত : ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০, ০২:৪৩ রাত
আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০, ০২:৪৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সন্তানদের মাদরাসায় পড়াতে ভিক্ষা করেন অসহায় মা

মিনহাজুল আবেদীন: [২] বুধবার মহান বিজয় দিবস। এ উপলক্ষে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদি ও পাদদেশে আনন্দচিত্তে ছোটাছুটি করছে ছোট ছোট শিশুরা। করোনার ভীতি থাকলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিশুদেরকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরতে এসেছেন বাবা মা ও স্বজনরা। তাদের আবদার মেটাতে জাতীয় পতাকা, বেলুনসহ বিভিন্ন পণ্য ও খাবার সামগ্রী কিনে দিচ্ছেন অভিভাবকরা।

[৩] দুপুরে সরেজমিনে হঠাৎ চোখ পড়ে বেদির সামনে কালো বোরকা পরিহিত আট কিংবা নয় বছর বয়সী একটি মেয়ে সুললিত কণ্ঠে সুরা পাঠ করছে। পাশেই একই রঙয়ের বোরকা পরিহিত এক নারীকেও বসে থাকতে দেখা যায়। সুরা পাঠের পাশাপাশি শিশুটি ও ওই নারী দুহাত পেতে আছেন। বেড়াতে আসা লোকজনের মধ্যে দু-চারজনকে পেতে রাখা হাতে ৫ বা ১০ টাকা অনুদান দিতে দেখা যায়।

[৪] তাদের নাম পরিচয় জানতে চাইলে ওই নারী তার নাম রুবি ও মেয়ের নাম লাবনি বলে জানান। রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরের বাসিন্দা রুবি দুই মেয়ে ও এক ছেলের জননী। বছর দেড়েক আগে তার স্বামী মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর পর সংসারের খরচ চালাতে বিভিন্ন বাসাবাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন।

[৫] তবে কয়েক বাসায় দিনভর কাজ করে প্রতি মাসে যে টাকা বেতন পান, তা দিয়ে বাসাভাড়া ও খাবার খরচ চালাতেই হিমশিম খেতে হয় তাকে। এছাড়া তার সন্তানরা স্থানীয় মসজিদে আরবি পড়ে। রুবির স্বপ্ন ছেলে- মেয়েদের হাফেজ হিসেবে গড়ে তুলবেন। কিন্তু টাকার অভাবে তাদেরকে মাদরাসায় ভর্তি করাতে পারছেন না। ছোট ছেলে-মেয়েদের বাসায় একা রেখে বাইরে কাজে যেতে সাহস পান না, তাই গত কয়েকমাস ধরে তিনি ভিক্ষা করে সব খরচ মেটাচ্ছেন।

[৬] রুবি বলেন, কোনো দয়াশীল মানুষ যদি আমার সন্তানদের মাদরাসায় পড়ার খরচ চালানোর দায়িত্বটা নিতেন, তাহলে আমি চা ও পানের একটি ছোট্ট দোকান দিয়ে ঘরের খরচ চালাতে পারতাম। সম্পাদনা : শাহানুজ্জামান টিটু

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়