প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] গ্রামীণ বাজারে শীতবস্ত্র বিক্রেতাদের ডাক চাইচাই লন, বাইছি বাইছি লন

শাহাদাত হোসেন: [২] রাউজানে জমে উঠেছে শীতের কাপড়ের ব্যবসা।পৌষ মাস থেকেই শুরু হয় শীতের মৌসুম। আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে শীতের তীব্রতা। যতই শীতের তীব্রতা বাড়ছে রাউজানের বিভিন্ন মার্কেট ও ফুটপাতে জমে উঠছে শীতের গরম কাপড়ের ব্যবসাও।অল্প দামে মোটামুটি ভালো শীতের গরম কাপড় কিনতে নিম্ন আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত মানুষরাও ভিড় করতে দেখা যায় ফুটপাতের ভাসমান দোকানগুলোতে।

[৩] সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, রাউজানের ফকির হাট বাজার, গহিরা চৌমুহনী, নোয়াজিষপুর নতুন হাট, হলদিয়া আমিরহাট, নোয়াপাড়া পথের হাট ও পাহাড়তলী চৌমুহনীসহ বিভিন্ন হাট বাজারের মার্কেটে ও ফুটপাতের দোকানে নানা রকমের শীতের গরম কাপড় বিক্রি হচ্ছে। অনেকে আবার ভ্যানগাড়ি করেও বিক্রি করছেন গরম কাপড়। ফুটপাতের এসব দোকান ও ভ্যানগাড়িতে ১০ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামে শীতের গরম কাপড় পাওয়া যাচ্ছে। শিশু থেকে শুরু করে নারী-পুরুষসহ সব বয়সীদের রয়েছে শীতের কাপড়।

[৪] শীতবস্ত্র বিক্রেতাদের ডাক আসেন ভাই, আসেন আপু, চাই চাই লন, বাইছি বাইছি লন,এক দাম, এক রেট, দশ টাকা,পঞ্চাশ টাকা, একশ-দেড়’শ টাকা।এভাবেই নারী, পুরুষ, শিশু, তরুণ-তরুণীদের কাছে শীতের কাপড় বিক্রি করছেন হকার ব্যবসায়ীরা।কোথাও একদরে কোথাও দামাদামির মাধ্যমে চলছে বেচাকেনা।ক্রেতারা যার যার পছন্দ মতো কিনছে গরম কাপড়।

[৫] রাউজান ফকির হাট বাজারে শীতবস্ত্র ব্যবসায়ী আলী আজগর মিটু ও সাদ্দাম হোসেন জানায়, বাহিরে থেকে আসা এসব পুরাত কাপড়ের গাইড ঢাকা ও চট্টগ্রাম নিউমার্কেট থেকে কিনে এনে খুচরা বিক্রি করছি ফুটপাতে বসে।এসব পুরাত কাপড়ের গাইড কিনে আনতে হয়েছে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে।একেকটি গাইডের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শীতের গরম কাপড় রয়েছে।

[৬] যার মধ্যে রয়েছে সোয়েটার, জ্যাকেট, কানটুপি, মাফলার, হাত-পায়ের মোজসহ ইত্যাদি।এসব গরম কাপড় ১০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৪শ টাকা দামে বিক্রি করা হচ্ছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে বেচাকেনা।প্রতিদিন ৩-৫ হাজার টাকার কাপড় বিক্রি করা হয় বলে জানান তারা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত