প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজাদের রাজাকার দাবি করে বিচার চাইছে ওলামা লীগ

শিমুল মাহমুদ : [২] ফ্রান্সে ইসলাম বিরোধী ঘটনা পূনরাবৃত্তি না হওয়ার জন্য সতর্ক প্রহরা এবং ক্ষুদ্র নৃগুষ্ঠী রাজাকারদের অবিলম্বে বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ সহ-সমমাননা ১৩ টি সংগঠন।

[৩] বক্তারা বলেন, ফ্রান্সের ঘটনায় সারা বিশ্বব্যাপী জোর প্রতিবাদের ও তীব্র নিন্দা জ্ঞাপনে তারা ভয় পেয়েছে। থমকে আছে। কিন্তু আমাদের এ প্রতিবাদের ধারা থামিয়ে দিলে চলবেনা। আর অব্যাহত রাখলেই চলবেনা। সতর্ক প্রহরা জারি রাখতে হবে। নচেৎ ফ্রান্সের মত অপশক্তিগুলো পুনরায় জেগে উঠতে পারে। কাজেই এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার যাতে পূনরাবৃত্তি না হয় তার জন্য এখন থেকেই সতর্ক থাকতে হবে।

[৪] তারা বলেন, সরকারের উচিত এই নীতিগুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গন তথা জাতিসংঘ বা ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রস্তাব উত্থাপন করা। প্রয়োজনে ওআইসি’র মত ইসলামী জোটগুলোকে সাথে নিয়ে দাবীগুলো উত্থাপন করা- ১. পবিত্র দ্বীন ইসলাম পালন করার পূর্ণ স্বাধীনতা থাকতে হবে। ২. পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার অনুভূতিকে সম্মান করতে হবে। ৩. পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার অনুভূতিতে আঘাত করাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে জারী করতে হবে। ৪. পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার অনুভূতিকে আঘাত করার এই জঘণ্য অপরাধকে আইন করে বন্ধ করতে হবে।

[৫] বক্তারা বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য, ক্ষুদ্র নৃগুষ্ঠী রাজাকাররা এবং তাদের বংশধররা স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে জাতিসংঘেও পৌছেছে, যা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য লজ্জাজনক। যুদ্ধাপরাধী ক্ষুদ্র নৃগুষ্ঠী রাজাকারদের বিচার হয়নি কিন্তু তাদের পুরস্কৃত করে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিনিধি করা কি অপমানের নয়? চাকমা রাজা কুখ্যাত ত্রিদিব মুক্তিযুদ্ধের প্রথম থেকে বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছে।

[৬] বক্তরা আরও বলেন, এছাড়া চাকমা পরিবার চিরদিনই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তির বিরুদ্ধে থেকেছে। বিচারপতি সায়েম দেশের প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক এবং রাষ্ট্রপ্রধান হবার পর সে ত্রিদিবের মা বিনীতাকে তার অন্যতম উপদেষ্টা করে। সূত্র : ‘মুক্তিযুদ্ধে পার্বত্য চট্টগ্রাম’, (জানু. ২০০৬, অঙ্কুর প্রকাশনী, পৃষ্ঠা ৩৫)।

[৭] বক্তরা বলেন, অন্য যুদ্ধাপরাধী বোমাং সার্কেলের রাজা অং শৈ প্রু চৌধুরীও ছিলো স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধী। প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য ও মন্ত্রী এই রাজা পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বন করে এবং হানাদার বাহিনীর সক্রিয় সদস্য ছিলো।

[৮] সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সামনে এক মানববন্ধনে বক্তার এসব কথা বলেন। এতে সমন্বয় করেন, বাংলাদেশ আওয়ামী মওলামা লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ মাওলানা মুহম্মদ আখতার হুসাইন বুখারী,বক্তব্য রাখেন- সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ কাজী মাওলানা মুহম্মদ আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী, সম্মিলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদের সভাপতি- আলহাজ্জ হাফেজ মাওলানা মুহম্মদ আব্দুস সাত্তার,দপ্তর সম্পাদক মাওলানা মুহম্মদ শওকত আলী শেখ ছিলিমপুরী প্রমুখ।

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত