প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] গজারিয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজ দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল, ঘটতে পারে র্দুঘটনা

নেয়ামূল হক: [২] মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার জামালদি বাস স্ট্যান্ড হয়ে হোসেন্দী অর্থনৈতিক অঞ্চল যেতে বিভিন্ন পরিবহন একটি ঝুঁকির্পূণ ক্ষতিগ্রস্ত স্টিলের ব্রীজ (বিইলী ব্রীজ) পারাপার হচ্ছে। যাতে প্রায়ই অনাকাঙ্খিত র্দূঘটনার শিকার হচ্ছে সাধারণ পথচারী ও যানবাহন।

[৩] গত ১৯৯৫ সালে ৪৫ মিটার দৈর্ঘ্যের ২৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে এলজিইডির তত্ত্ববধায়নে এ ব্রীজটি নির্মাণ হয়। সময়ের পরিকল্পনায় দেশের অন্যান্য স্থানের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতি হলেও এই ব্রীজটি অবহেলিত থেকে যায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের ও এলাকার জনপ্রতিনিধিদের নজরদারি না থাকার কারণে।

[৪] সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ব্রীজটির উপর ভারী যানবাহন উঠলে লোহার পাতলা পাটাতনগুলি বাঁকা হয়ে যায়। যার কারণে যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

[৫] ব্রীজ দিয়ে চলাচলের সুবিধার্থে অস্থায়ীভাবে টিকে গ্রুপ, সামুদা কেমিক্যাল ও সুপার বোর্ড এর যৌথ উদ্যোগে বেশ কয়েকবার যৌথ অর্থায়নে যান চলাচলের উপযুক্ত করলেও যথাযথ কর্তপক্ষের উদ্যোগের অভাবে তার দেখভাল করা যায় নাই।

[৬] এই রাস্তাটি দিয়ে জামালদি বাস স্ট্যান্ড হতে হোসেন্দী অর্থনৈতিক অঞ্চল, হোসেন্দী বাজার, গজারিয়া লঞ্চ ও ফেরি ঘাঁট, মুন্সীগঞ্জ সদর, পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, নৌ পুলিশ , কোস্টগার্ড ও উপজেলা পরিষদে যাতায়াতের এই রাস্তাটির ভূমিকা অপরিহার্য।

[৭] এই ব্রীজটি দিয়ে ঘন্টায় ৬ থেকে ৭ শত ছোট-বড় যানবাহন চলাচল করে। ব্রীজটি সরু ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় অধিকাংশ সময়ই যানবাহন পারাপারের উভয় পাশে যানজটের সৃষ্টি হয়। তাই এলাকাবাসীর দাবি এই ব্রীজটি ভেঙ্গে নতুন করে ডাবল লাইনের ব্রীজ নির্মাণ করা হোক।
হোসেন্দী ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল হক মিঠু জানান এই ব্রীজটি সংস্কারের জন্য বেশ কয়েকবার যথাযথ কর্তৃপক্ষকে মাসিক উন্নয়ন ও আইন শৃঙ্খলা সভায় উপস্থাপন করেছি।

[৮] এ ব্যাপারে গজারিয়া উপজেলার এলজিইডি উপ-প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক জানান এই ব্রীজটি সংস্কারের জন্য মাটির গুনাগুন পরীক্ষা করে যথাযথ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট চিঠি দেওয়া হয়েছে। আশা করি খুব শীঘ্রই ব্রীজটি সংস্কারের কার্যক্রম শুরু করতে পারব।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত