প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] নিউজিল্যান্ড পুলিশ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছিলো, তবে হামলা আটকানো ছিলো অসম্ভব ব্যাপার, ক্রাইস্টচার্চ হামলার তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] তদন্ত প্রতিবেদন বলছে, নিউজিল্যান্ড পুলিশের সব মনোযোগই ছিলো ইসলামি সন্ত্রাসবাদের দিকে। মুসলিমরা যে অন্য ধর্মের মানুষের দ্বারা আক্রান্ত হতে পারেন, তা তারা ঘুণাক্ষরেও ভাবেননি। আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পরীক্ষা ও বাছাই এর ক্ষেত্রেও পুলিশের অবহেলা ছিলো। ক্রাইস্টচার্চের দুটি মসজিদে ২০১৯ সালের এই হামলায় ৫১ জন মারা যায়। সিএনএন

[৩] রয়েল কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদী ব্রেন্টন ট্যারেন্ট এর ব্যাপারে কোনও ধরণের সতর্কতা জারি করতে ব্যর্ত হন গোয়েন্দারা। যে শহরে পরদিন আন্তর্জাতিক টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, সে শহরের এই ধরণের নিরাপত্তা ঘাটতি মেনে নেবার মতো নয়। বিশেষত আল নূর জামে মসজিদে বাংলাদেশ দল যাচ্ছে, এমন তথ্য পুলিশের কাছে ছিলো, কিন্তু তারা গুরুত্ব দেননি। কমিশনের মতে, বাংলাদেশি কোনও ক্রিকেটারের গায়ে আচড় পড়লে, সেই ক্ষত কখনই পূরণ করতে পারতো না নিউজিল্যান্ড। বিবিসি

[৪] এক বিবৃতিতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জ্যাসিন্ডা আর্ডের্ন বলেন, ‘কমিশন এমন কিছু পায়নি, যাতে বলা যাবে, এই হামলা আটকানো যেতো।’ এই হামলার পর নিজের ভুমিকার জন্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হন আর্ডের্ন। তিনি নি:শর্তভাবে ভিক্টিমদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। দ্য গার্ডিয়ান

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত