প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বৈশ্বিক সক্ষমতায় সূচকে ভারতের চেয়ে ১২ ধাপ আগালো বাংলাদেশ

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] গ্লোবাল সাসটেইনেবল কম্পিটিটিভনেস ইনডেক্স বা জিএসসিআইতে এই প্রথম ভারতে টপকে গেলো বাংলাদেশ। এই সূচকে ভারতের অবস্থান ১২৭। আর বাংলাদেশের অবস্থান ১১৫ । দেশগুলো নিজেদের সম্পদ কিভাবে ব্যবহার করলো সেটি পর্যালোচনা করে এই সূচক তৈরি করা হয়। এবছর সূচকটিতে ভারতের অগ্রগতি ৩ ধাপ। বিশ্বব্যাংক, জাতিসংঘ, আইএমএফ, ওইসিডি, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করে এটি তৈরি করে সুইজারল্যান্ড ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ উদ্যোগ ‘সলএবিলিটি’ এবং থিঙ্কট্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠান সাসটেইনেবল ইন্টিলিজেন্স।

[৩] জিএসসিআই তৈরিতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে প্রাপ্ত ১২৭টি পরিমাণগত সূচক ব্যবহার করে প্রাকৃতিক সম্পদ, সামাজিক সম্পদ ব্যবহারের দক্ষতা, বুদ্ধিভিত্তিক ও উদ্ভাবনী সম্পদ, সামাজিক সুসঙ্গতি ও শাসনসহ বেশ কিছু বিষয় মূল্যায়ন করা হয়েছে। টেকসই প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হল- একটি দেশের বর্তমান সম্পদ ধরে রাখা বা বাড়ানোর ভবিষ্যৎ সক্ষমতা নিয়ে আপস না করেই অন্তর্ভুক্তিমূলক সম্পদ উৎপাদন ও তা বজায় রাখার ক্ষমতা।

[৪] বাংলাদেশের স্কোর ৪৩ দশমিক ৩ পয়েন্ট। গত বছরের তুলনায় স্কোর ৪ দশমিক ২ পয়েন্ট বেড়েছে। অপরদিকে ভারতের স্কোর ৪২ দশমিক ৪ পয়েন্ট। বাংলাদেশের চেয়ে দশমিক ৯ শতাংশ পযেন্ট কম। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত জিএসসিআইয়ের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩২তম। আর ভারত ছিল ১৩০তম অবস্থানে।

[৫] দক্ষিণ এশিয়ায় নেপাল ৫৩তম অবস্থান নিয়ে জিএসসিআই সূচকে শীর্ষে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভুটান (৫৫তম), এরপর মালদ্বীপ (৬৫তম) এবং শ্রীলংকা (৮৬তম)। ভারতকে (১২৭তম) পেছনে ফেলে এ অঞ্চলে পঞ্চম হয়েছে বাংলাদেশ। তালিকায় পাকিস্তানের অবস্থা ১৭৪তম এবং আফগানিস্তানের ১৮৮তম। এই তালিকায় সবার উপরে রয়েছে সুইডেন ও সবার নিচে ইরাক।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত