প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মৌলভীবাজার থানা পুলিশের উদ্যোগে বন্ধ হলো একটি বাল্যবিবাহ

স্বপন দেব : [২] জেলার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ইয়াছিনুল হক এর নেতৃত্বে শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির তত্বাবধানে বুধবার রাতে আজাদ বখত স্কুল এন্ড কলেজ এর এস.এস.সি পরীক্ষার্থী শিউলি আক্তার (১৬) (ছদ্মনাম), পিতা-আক্কাস আলী( ছদ্মনাম), গ্রাম- ব্রম্মানগ্রাম, মৌলভীবাজার এর সহিত হেলাল মিয়া (২৮),পিতা-ফজলু মিয়া,সাং-কদমহাটা,থানা-রাজনগর এর বাল্য বিবাহের দিন ধার্য ছিল।

[৩] ভিকটিমের বান্ধবীর মাধ্যমে পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাড়িতে আলোকসজ্জা ও খাবার-দাবারের আয়োজন দেখে বিয়ে বাড়ির পরিবারের অভিভাবকদের সাথে কথা বলেন, তারা বিবাহের কথা স্বীকার করেন এবং মেয়েটিকে দেখে অপ্রাপ্তবয়স্ক মনে হওয়ায় মেয়েটির জন্মনিবন্ধন ও স্কুলের রেজিষ্ট্রেশন কার্ডের মধ্যে জন্মতারিখ পর্যবেক্ষনে এবং মেয়েটির নিজ ভাষ্যমতে মেয়েটির বয়স মাত্র ১৬ বছর ১৪ দিন বলে জানা যায়।

[৪] বাংলাদেশ সরকারের বাল্যবিবাহ আইন বিরোধী। পরবর্তীতে মেয়েটির বাবা,মা ও নিকটাত্মীয়রা তাদের ভূলটি বুঝতে পেরে অনুতপ্ত হন এবং অভিভাবকরা এ মর্মে লিখিত মুচলেকা প্রদান করেন, ১৮ বছর এর আগে তাদের মেয়েকে বিয়ে দিবে না। পরে বাল্য বিবাহের এই আয়োজন বন্ধ করা হয়।

[৫] যেহেতু বাল্য বিবাহ নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে এ বিষয়টি মামলার কারণ, তাই পুলিশ বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে কমিউনিটির উদ্যোগের সাথে কাজ করে যাচ্ছে।

[৬] পুলিশ জানান, আজকে যে বালিকার বিয়ে হচ্ছে সে আগামীকাল স্বামী পরিত্যাক্তা হতে পারে, অপু্ষ্িটজনিত বাচ্চার মা হতে পারে, পারিবারিক কলহে সে আত্মহত্যা করতে পারে কিংবা যৌতুকের দায়ে তাকে নির্যাতন বা হত্যা পর্যন্ত করা হতে পারে। বাল্য বিবাহ রোধে দেশের প্রত্যেক পরিবার কে এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে এবং এ নির্যাতন রোধে স্বচেষ্ট থাকতে হবে। তা না হলে বাল্য বিবাহ বন্ধ করা যাবেনা।

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত