প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অন্য কোনো মুসলিম দেশে ভাস্কর্য থাকলেও উদাহরণ দিয়ে ভাস্কর্যকে জায়েজ করা যাবে না : ওলামা মাশায়েখরা

মনিরুল ইসলাম: [২] দেশের শীর্ষ ওলামা মাশায়েখরা বলেছেন, কোনো মুসলিম দেশের শাসকদের শরিয়তবিরোধী কাজ মুসলমানদের জন্য অনুসরণযোগ্য নয়। পূজার উদ্দেশ্যে নির্মাণ করা না হলেও ভাস্কর্যকে ‘সন্দেহাতীতভাবে নাজায়েজ ও স্পষ্ট হারাম’ বলে উল্লেখ করেছেন।

[৩] এসময় তারা ভাস্কর্য ও মূর্তিকে হারাম দাবি করে এর পক্ষে যুক্তি ও দলিল তুলে ধরেন। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, যারা বলছেন মূর্তি ও ভাস্কর্য এক নয় তারা ভুল বলছেন। সত্যকে গোপন করছেন। এটি কোরআন ও সুন্নাহকে অমান্য করা।

[৪] কোরআন ও হাদিসের বিভিন্ন উদ্ধৃতি তুলে ধরে মুফতি ইনামুল হক কাসেমী বলেন, ইসলামে ভাস্কর্য ও মূর্তি উভয়ে নিষিদ্ধ। এটি নির্মাণ কঠোরভাবে হারাম ও পাপের কাজ। কোরআন-সুন্নাহর সুস্পষ্ট বিধানের সামনে বিভিন্ন দেশের ভাস্কর্য বা মূর্তির উপমা টেনে আনা ইসলামের একটি অকাট্য বিধানকে অবজ্ঞা করার সামিল। তাদের জন্য একমাত্র অনুসরণীয় হলো কোরআন-সুন্নাহ ও ইসলামি শরিয়ত।

[৫] সংবাদ সম্মেলনে ভাস্কর্য নিয়ে পাঁচ মুফতির ফতোয়া লিখিত আকারে পাঠ করেন মওলানা এনামুল হক কাসেমী। এই ফতোয়ায় সই করেছেন দেশের বিভিন্ন এলাকার ৯৫ জন মুফতি।

[৬] উপস্থিত ছিলেন হেফাজত ইসলামের নায়েবে আমীর আব্দুর রব ইউসুফীসহ বেশ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া-বেফাকের মহাসচিব মুফতি মাহফুজুল হক এবং বিভিন্ন ইসলামী দলের নেতৃবৃন্দ।

[৭] বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিট মিলনায়তনে দেশের শীর্ষ ওলামা মাশায়েখদের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলনে একথা বলা হয়। সম্পাদনা: শাহানুজ্জামান টিটু

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত