প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রংপুরে ব্যস্ত সময় পার করছেন লেপ-তোষক তৈরির কারিগররা

আফরোজা বেগম: [২] জেলার আট উপজেলায় শীতের আগমনে লেপ-তোষক তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন লেপ-তোষক তৈরির কারিগররা। কিছুদিন ধরে ভোর বেলা কুয়াশায় জমে থাকছে মাঠের ঘাস ও গাছের লতাপাতা।

[৩] শীতের আগমনে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন শীত বস্ত্রের দোকানগুলোতে প্রচুর ভীড় জমাচ্ছেন। দিনে কিছুটা শীত কম হলেও রাতে বেশ শীত অনুভুত হয়।

[৪] প্রচলিত রীতি অনুযায়ী কার্তিক মাসে শীতের জন্ম হলেও পৌষে গিয়ে পুরোপুরি শীত পড়ে। পৌষ ও মাঘ মাস শীত মৌসুম হিসেবে বিবেচিত হলেও এলাকার মানুষ শীত মোকাবেলায় বেশি করে প্রস্তুতি হিসেবে লেপ-তোষক তৈরি করা হচ্ছে। রংপুর অঞ্চলে অন্যন্য বারের চেয়েও এবারে শীত আগাম বেশি দেখা যায়। একারণে দোকানগুলোতে লেপ-তোষক তৈরির হিড়িক পড়েছে।

[৫] এমনই দৃশ্য চোখে পড়েছে রংপুর জেলাশহর থেকে শুরু করে উপজেলা শহরগুলোতে।

[৬] এমনকি প্রত্যন্ত অঞ্চলেও লেপ-তোষক তৈরির কারিগররা ইতিমধ্যে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ফলে ক্রেতাদের আনাগোনায় জমে উঠেছে লেপ-তোষকের দোকানগুলোসহ শীত বস্ত্রের দোকানগুলোতে। অবশ্য রংপুর শহরে শীত খুব বেশি অনুভুত নাহলেও যমুনেশ^রী, ঘাঘট ও করতোয়া পাড়ের হাজারো দরিদ্র মানুষ শীতের কারণে বেকায়দায় পড়েছেন।

[৭] গত দুই সপ্তাহ ধরে সন্ধ্যা থেকে শুরু করে পরদিন সকাল পর্যন্ত কুয়াশার চাদরে প্রকৃতি ঢাকা থাকছে। একারণে এ অঞ্চলের মানুষের গায়ে উঠতে শুরু করেছে হালকা শীতের কাপড়। অনেক পরিবারের লোকজন তাদের পুরণো লেপ ও তোষক নতুন করে তৈরি করছেন।

[৮] বদরগঞ্জ উপজেলার লেপ- তোষক ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদ বলেন, গত বারের চেয়ে এবারে কেজি প্রতি তুলার মুল্য পাঁচ থেকে ছয় টাকা বেশি। একারনে লাভ সিমিত হবে। তবে বাজারে ক্রেতা বেশি হওয়ায় ও ভালো মুল্যে বিক্রি হলে খরচের টাকা পুশিয়ে নেওয়া যাবে।

[৯] রংপুর সালেক মার্কেটের লেপ- তোষক ব্যবস্যায়ী শহিদুল ইসলাম জানান, প্রতি বারের ন্যায় এবারে রংপুর অঞ্চলে শীত বেশি দেখা দিয়েছে। তাই শীতের আগমনে লেপ- তোষক এর দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীর জমে উঠেছে। অন্যদিকে তুলা ও কাপড়ের দাম স্থিতিশীল থাকায় ক্রেতাদের অর্ডার বেশি হচ্ছে। আর আমরাও আগাম লেপ- তোষক তৈরী কাজে ব্যাস্ত সময় পার করছি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত