প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বাগেরহাটে আমন ধানে কারেন্ট পোকার আক্রমণ, ফসলহানীর আতঙ্কে ৬৫ হাজার কৃষক

শেখ সাইফুল: [২] বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলায় চলতি মৌসুমে কারেন্ট পোকার প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছে। ফসলহানির সম্ভাবনার আতঙ্কে রয়েছে সাধারণ কৃষক। সচেতনাতা তৈরিতে চলছে কৃষি অধিদপ্তরের মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ।

[৩] দুই উপজেলার ২০টি ইউনিয়নের মধ্যে নিশানবাড়িয়া, জিউধরা, বারইখালী ও বহরবুনিয়া, ধানসাগর, খোন্তাকাটা, রায়েন্দা ও সাউথখালী ইউনিয়নের চলতি আমন মৌসুমে এবারে ৭ হাজার ১১০ হেক্টর জমিতে আমন চাষ করা হয়েছে।

[৪] সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠ জুড়ে সোনালী ফসলে কৃষকের মুখে হাসি দেখা দিলেও কাঙ্খিত ফসল ঘরে তুলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছেন তারা। আর মাত্র ২ থেকে ৩ সপ্তাহের পর কৃষক তাদের কাঙ্খিত ধান কেটে ঘরে তোলার কথা। তবে হঠাৎ অধিকাংশ ফসলি জমিতে কারেন্ট পোকার আক্রমণ।

[৫] কৃষকরা জানান, একদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অন্যদিকে অতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে অন্য কোনো ফসল উৎপাদন করতে পারে না তারা। বছরের এ আমন মৌসুমের ওপর নির্ভরশীল পরিবার পরিজনের খোরাখ মিটিয়ে বাকি ধান বিক্রি করে চলতে হয়। গত বছরের এ কারেন্ট পোকার ফসলহানি ক্ষতি পুশিয়ে উঠতে না উঠতেই এ বছরেও দেখা দিয়েছে এ পোকা।

[৬] সংশ্লিষ্ট ইউনিয়গুলোর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু, শফিকুর রহমান লাল, জাহাঙ্গীর আলম বাদশা, রিপন তালুকদার জানান, এ কারেন্ট পোকার আক্রমণের বিষয়টি কৃষকরা তদের জানিয়েছেন। সরকারিভাবে কৃষকদের বিনামূল্যে প্রতিশোধক কীটনাশক সরবরাহ করে ফসল রক্ষা জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি দাবী জানান তারা।

[৭] কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে, নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নে ২২৫০ হেক্টর জমিতে ৩৩৫০ কৃষক, জিউধরায় ১৪৫০ হেক্টর জমিতে ৩৩৫০, বহরবুনিয়ায় ১৭শ’ হেক্টর জমিতে ২৮৫০ ও বারইখালীতে ১৭১০ হেক্টর জমিতে ৩৩শ’ কৃষক আমন ধান উৎপাদন করেছে। এর মধ্যে অধিকাংশ ফসলের বাদামি গাছ ফড়িং ও কারেন্ট পোকার প্রার্দুভাব দেখা গেছে।

[৮] সে ক্ষেত্রে কৃষি অধিদপ্তর পূর্ব মুর্হুতে প্রস্তুতি স্বরুপ এ কারেন্ট পোকার প্রতিরোধে প্রতিশোধকের ক্ষেত্রে কীট ভাইপার, প্লেনামসহ ওষুধ ব্যবহারের জন্য কৃষকদের উদ্ভুদ্যকরন করনীয় বিষয় সর্তক বার্তা মাইকিং, কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি অফিসার রেহানা পারভীন।

[৯] শরণখোলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ওয়াসীম উদ্দিন জানান, উপজেলার অল্পবিস্তর এলাকায় কারেন্ট পোকার আক্রমণ দেখা দিলেও তা এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। পোকার খবর পেয়ে উপজেলা কৃষি বিভাগের দায়িত্বরত কর্মকর্তরা অনেক আগে থেকেই গ্রামে গিয়ে কৃষকদেরকে প্রয়োজনীয় ওষুধ প্লেনাম, পাইরাজিন স্প্রেসহ আলোরফাঁদের পরামর্শ দিয়েছে তাতে সুফল পাওয়া গেছে। পোকা দমন হয়েছে বলে ওই কৃষি কর্মকর্তা জানান। সম্পাদনা: হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত