প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ১৩ কোটি পরীক্ষার পর ৩৪ লাখ করোনায় শনাক্তের তথ্য গোপন করেছে ভারত

রাশিদুল ইসলাম : [২] এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কম দেখানোর দুটি উপায় রয়েছে, যার একটি হলো কম সংখ্যক করোনা পরীক্ষা করা। এছাড়া, পিসিআর টেস্ট কমানো এবং অ্যান্টিজেন টেস্ট বাড়ানোর মাধ্যমেও শনাক্ত কম দেখানো যায়।

[৩] গবেষণায় দেখা গেছে, পিসিআর টেস্টে অ্যান্টিজেন টেস্টের চেয়ে নির্ভুলভাবে করোনা রোগী শনাক্ত করা যায়। করোনা মহামারির শুরুতে ভারতে শুধু পিসিআর টেস্ট করানো হলেও এখন তা ৬০ শতাংশেরও নিচে কমে এসেছে।

[৪] অনেক বেড়েছে অ্যান্টিজেন টেস্টের সংখ্যা। আক্রান্তের আসল সংখ্যা শনাক্তের দিক থেকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছে মহারাষ্ট্র, দিল্লি এবং তেলেঙ্গানা রাজ্য।

[৫] ভারতে সংক্রমণ ৪০ হাজারের নিচে নামছেই না, গত পাঁচদিনে কোভিড অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যাও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

[৬] ভারতে করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ৯২ লাখ। অথচ বিভিন্ন রাজ্যে করোনা টেস্ট এবং কোভিড রোগীর সংখ্যা বিচার করে চমকে দেওয়ার মতো রিপোর্ট পাওয়া গেছে। সেপ্টেম্বরে দৈনিক আক্রান্ত ৯০ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সেখান থেকে ৩০ হাজারের নিচে নেমেছিল। কিন্তু গত সপ্তাহ ধরে কোভিড কার্ভ ফের বেড়েছে। দৈনিক সংক্রমণ ৪০-৫০ হাজারের মধ্যেই ঘোরাফেরা করছে।

[৭] করোনা পরীক্ষার জন্য রিয়েল টাইম-আরটি পিসিআর টেস্ট সব রাজ্যে সঠিকভাবে হয়নি। র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টেই দ্রুত করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সে কারণে বেশিরভাগ রোগীকে চিহ্নিত করাই যায়নি। সূত্র বলছে, অন্তত ৩৮ লাখ কোভিড রোগীর হিসেব ধরাই হয়নি। যদি পরিসংখ্যানের খাতায় ফেলা যায় তাহলে মোট রোগীর সংখ্যা কোটি ছাড়াবে।

[৮] ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ বলছে, ১৩ কোটির বেশি করোনা পরীক্ষা হয়েছে। গতকালই নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১১ লাখের বেশি। আরটি-পিসিআর টেস্টের সংখ্যা ৬০ শতাংশে নেমেছে, তুলনায় র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের সংখ্যা বেশি। যে কারণেই নাকি কোভিড রোগীদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। বিহার, তেলঙ্গানা, গুজরাট, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশে আরটি-পিসিআর টেস্টের সংখ্যা কম। তবে মধ্যপ্রদেশ, পাঞ্জাব, রাজস্থান, তামিলনাড়ুতে পিসিআর টেস্ট এখনও ৯০-১০০ শতাংশের কাছাকাছি।

সর্বাধিক পঠিত