প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] নীলক্ষেতে মূল বই আর ফটোকপি বোঝার উপায় নেই, ঠকছেন বেশিরভাগ ক্রেতা

তরিকুল ইসলাম: [৩] নীলখেতে বই দোকানিরা চাহিদা ও ক্রেতার প্রয়োজন বুঝেই কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে ঝকঝকে ‘পাইরেটেড’ কপি বিক্রি করছেন মূল কপির থেকেও বেশি দামে।

[৪] চলমান ‘পাইরেটেড’ বইয়ের ছাপার মান অত্যন্ত নিম্ন মানের হলেও মূল কপির থেকে নাম মাত্র কমিশনে চলে হরদম বেচাকেনা।

[৫] ফুটপাতের পুরানো অনেক বইয়ের পৃষ্ঠা না থাকাসহ বিভিন্ন ত্রুটি ধরা পড়লে তখন বই পরিবর্তন বা দাম ফেরত না দিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করাও বিক্রেতাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

[৬] খান বুক সেন্টারের ম্যানেজার বলেন, আমদানি করা তিন হাজার টাকার বই ফটোকপি করে এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ মূল বই আর ফটোকপি বইয়ের পার্থক্য অনেক সময় বুঝতেই পারেন না।

[৭] ফুটপাত থেকে বই না কিনে ক্রেতাদের মার্কেট থেকে কেনার পরামর্শ দিয়ে এই বিক্রেতা বলেন, দোকানে নতুন ও পুরানো বইয়ের দাম তুলনামূলক কিছুটা বেশি হলেও বইগুলোতে ত্রুটি থাকেনা। প্রয়োজন শেষে আবার ভালো দামেই আমাদের কাছে বেচার সুযোগ রয়েছে।

[৮] এরআগে, ৫ নভেম্বর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা বইয়ের পাইরেটেড কপি বিক্রির দায়ে ভোক্তা অধিকার আইনে নীলক্ষেতের তিন বই বিক্রেতাকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদÐ ও অপর দুই বিক্রেতাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। সম্পাদনা: রায়হান রাজীব

 

 

সর্বাধিক পঠিত