প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রাজধানীর হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে বৃদ্ধি পেয়েছে রোগী

লাইজুল ইসলাম: [২] শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ঢাকা মহানগরীতে করোনা রোগীদের জন্য দেওয়া ৩০৯টি আইসিইউ শয্যার মধ্যে বর্তমানে রোগী আছেন ২১১টিতে, ফাঁকা রয়েছে ৯৮টি। রোগী বৃদ্ধির কারণে এই অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। গেলো কয়েক সপ্তাহ আগেও রোগীভর্তি বেডের তুলনায় খালি বেডের সংখ্যা বেশি ছিল।

[৩] করোনা রোগীদের জন্য নির্ধারিত সরকারি কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যায়ে করোনা ডেডিকেটেড কোনও আইসিইউ শয্যা খালি নেই। এই হাসপাতাল তিনটিতে আইসিইউ শয্যা রয়েছে যথাক্রমে ১৬টি, ১০টি ও ১৬টি।

[৪] বেসরকারি বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ইবনে সিনা এবং আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে থাকা যথাক্রমে ১২, ৬ ও ১০টি শয্যার সবগুলোতেই রোগী রয়েছে।

[৫] ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবন ও বার্ন ইউনিটে থাকা ২৪টি আইসিইউ শয্যার মধ্যে রোগী আছেন ১৮টিতে, ফাঁকা রয়েছে ছয়টি; মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ১৪টির মধ্যে রোগী আছেন ১০টিতে, ফাঁকা চারটি; রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালের ১৫টি শয্যার মধ্যে রোগী আছেন ১৪টিতে, ফাঁকা আছে একটি।

[৬] শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের ১৬টি শয্যার মধ্যে রোগী আছেন সাতটিতে, ফাঁকা রয়েছে ৯টি। সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের ছয়টি শয্যার মধ্যে রোগী আছেন পাঁচটিতে, ফাঁকা একটি। আগসর আলী হাসপাতালের ৩১টি শয্যায় মধ্যে রোগী আছেন ২২টিতে, ফাঁকা আছে ৯টি।

[৭] স্কয়ার হাসপাতালের ২৫টি শয্যার ১৪টিতে রোগী আছেন, ফাঁকা রয়েছে ১১টি। ইউনাইটেড হাসপাতালের ২২টি শয্যার ১১টিতে রোগী আছেন, ফাঁকা ১১টি। এভার কেয়ার হাসপাতালের ২০টির মধ্যে রোগী আছেন ১৯টিতে, ফাঁকা একটি। ইম্পালস হাসপাতালের ৫৬ শয্যার মধ্যে রোগী আছেন ১৩টিতে, ফাঁকা রয়েছে ৪৩টি এবং এএমজেড হাসপাতালের ১০ শয্যার মধ্যে রোগী আছেন ৮টিতে, ফাঁকা রয়েছে দুইটি বেড।

[৮] আর সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ এবং সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য আইসিইউ শয্যার সংখ্যা অধিদফতরে শূন্য দেখানো হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত