প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মৌলভীবাজারে ২৩ মামলার আসামি ডাকাত সর্দার ফজর গ্রেপ্তার

স্বপন দেব: [২] এ ডাকাতকে ধরতে টানা ১৩ দিন ছদ্মবেশে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানায় অভিযান চালায় পুলিশ।

[৩] ফজর আলী হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার কাচুয়া গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে। তার নামে হবিগঞ্জ সদর, বাহুবল, আজমীরি, ঢাকা, মৌলভীবাজারসহ বিভিন্ন থানায় ২৩টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

[৪] বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজার সদর থানার ওসি (তদন্ত) পরিমল চন্দ্র দেব জানান, ১৩ দিন ধরে তাকে ধরতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হয়। চুনারুঘাট থানার সহযোগিতায় অবশেষে তারে নিজ গ্রাম থেকে করা গ্রেফতার সম্ভব হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

[৫] এই ডাকাত সর্দারকে মৌলভীবাজারের এসপি ফারুক আহমদের পরিকল্পনায় মডেল থানার ওসি (তদন্ত) পরিমল চন্দ্র দেবের নেতৃতে গ্রেফতার করা হয়।

[৬] পুলিশের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানায়, মৌলভীবাজারে যত ডাকাতি হত তার পেছনে পরিকল্পনায় ছিল ফজর আলী প্রকাশ বুটন। শীত মৌসুমে সাধারণত ডাকাতি বেশি হয়। ডাকাত দলের পরিকল্পনাও থাকে শীত মৌসুমকে ঘিরে। গত বছর শীতে এ রকম ঘটনা জেলায় ঘটেছে। তাই এই বছর শীত আসার আগে থেকেই এই ডাকাত সর্দারকে ধরতে পরিকল্পনা করে পুলিশ।

[৭] এসপি ফারুক আহমদ জানান, আমরা স্বপ্ন দেখি ডাকাতমুক্ত মৌলভীবাজারের। সেজন্য আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে শীত মৌসুমে মৌলভীবাজারে ডাকাতির ঘটনা ঘটে থাকে। গত বছর আমাদের কঠোর নজরদারি এবং জনগণের সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে আমাদের কর্মতৎপরতার কারণে সাতটি থানার মধ্যে ছয়টি থানায় কোনো প্রকার ডাকাতি সংঘটিত হয়নি।

[৮] শুধুমাত্র সদর থানায় দুটি ডাকাতি হয়েছিল। করোনার কারণে এবং গত বছর ডাকাতি করতে না পারায় বিভিন্ন গোপন সূত্রে জানা যায়,  ডাকাতদল এবার শীতের আগমন ঘটতে না ঘটতেই সংঘবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছে। সেজন্য শুরু থেকেই আমরা জোরদার কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাই। কিন্তু চাহিদার তুলনায় জনবল ও যানবাহনের ঘাটতি থাকায় ‘পুলিশ-জনতা’ এর যৌথ প্রয়াসে গতবারের ন্যায় আমরা কাজ করে যাব।

 

সর্বাধিক পঠিত