প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বৈশ্বিক করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে পোশাক খাতে অস্থিরতা

শরীফ শাওন: [২] নতুন অর্ডার সংকটের সঙ্গে স্থগিত হচ্ছে পুরানো কার্যাদেশ। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির বড় বাজার ইউরোপিয় ইউনিয়ন ও ইউএস। করোনার প্রভাবে আগস্টে ইউএসএর পোশাক বিক্রি কমেছে ২১ শতাংশ, সেপ্টেম্বরে ১২ শতাংশ। একই সময়ে ইইউ’র বিক্রি কমেছে যথাক্রমে ২৫ ও ১৩ শতাংশ। বাংলাদেশে পোশাক রপ্তানি কমেছে নভেম্বরের ১৭ দিনে ৭.৩৩ শতাংশ, অক্টোবরে ৭.৭৮ শতাংশ।

[৩] বিজিএমইএ সহসভাপতি মশিউল আলম সজল বলেন, ইউরোপিয় ইউনিয়ন ও ইউএস নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে প্রায় ৬ মাসের সমান পোশাক বিক্রি করে থাকে। করোনার কারণে মালামাল অবিক্রিত থাকায় তারা নতুন অর্ডারে আগ্রহ প্রকাশ করছে না। এতে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগি হচ্ছে বাংলাদেশের আউটডোর ওয়্যার (সোয়েটার, জ্যাকেট, সুট, সার্ট ও প্যান্ট)।

[৪] আফটেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নুরুদ্দিন বলেন, করোনায় লকডাউনের কারণে বায়াররা আসতে পারছে না। পণ্য ও দরদাম নিয়ে আলোচনা না হওয়ার ফলে নতুন কার্যাদেশ পাওয়া যাচ্ছে না। এ সময়ে আমাদের কারাখানাগুলো ৫০ শতাংশের কাজ নিয়ে পরিচালনা করতে হচ্ছে।

[৫] আহমেদ ফ্যাসনস এর চেয়ারম্যান ড. তারিক উদ্দিন আহমেদ বলেন, ইতোমধ্যে বায়াররা ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কার্যাদেশ দুই থেকে চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যাদেশ থাকলেও অক্টোবর থেকেই বন্ধ হচ্ছে রপ্তানি কার্যক্রম। নভেম্বরে মাত্র ২০ শতাংশ রপ্তানি অর্ডার রয়েছে।

[৬] তারিক উদ্দিন বলেন, কমপক্ষে দেড় মাসের একটি গ্যাপ তৈরি হতে পারে। রপ্তানি পিছিয়ে যাওয়ায় কারখানাতে আর্থিক সংকট দেখা দিচ্ছে। শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ নিয়ে নতুন শঙ্কা দেখা দিচ্ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত