প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] আদমদীঘিতে আতব ধানের শীষ মরা রোগ ফলন নিয়ে শঙ্কায় কৃষকরা

এএফএম মমতাজুর রহমান: [২] ওষুধ ছিটিয়েও কাজ হচ্ছে না শীষ মরা রোগ প্রতিরোধে। এতে ফলন নিয়ে শঙ্কায় পরেছে কৃষকরা।

[৩] আদমদীঘি উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি আমন মৌসুমে উপজেলায় লক্ষ মাত্রা ধরা হয়েছিলো ১১ হাজার ১১৫ হেক্টর। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবার ১২ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আমন ধান রোপন করেছেন কৃষকরা। প্রতিটি জমিতে আমন ধান খুব ভাল হয়েছে। ইতি মধ্যে আগাম জাতের প্রায় ৮ হাজার হেক্টর জমির ধান কর্তণ করে ঘরে তুলেছেন কৃষকরা। এই ১২ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে রোপনকৃত ধানের মধ্যে ১ হাজার হেক্টর জমিতে চিনি আতব ধান রোপন করা হয়েছে। কৃষকরা জানান আর মাত্র কয়েক দিন পরেই আতব ধান কাটা শুরু হবে। এরই মধ্যে হঠাৎ করেই উপজেলার সিংগাহার, কড়ই, বন্তইর, ঝাখইর, বেজারসহ প্রায় সকল মাঠে আতব ধানে ব্যাপক হারে শীষ মরা রোগ দেখা দিয়েছে। কৃষকদের দাবি ধানের শীষ মরা রোগ প্রতিরোধ করতে বিভিন্ন কোম্পানীর কিটনাশক ওষুধ ছিটিয়েও কোন ফল হচ্ছে না। ফলে আতব ধানে ফলন বির্পযয় দেখা দিতে পারে। এতে করে ধান রক্ষায় এবং লোকসানের আশংকায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষকরা।

[৪] সিংগাহার গ্রামের কৃষক ইউসুফ আলী, কড়ই গ্রামের কৃষক আলেফ উদ্দীন জানান, ধান লাগানোর পর থেকে মাঠের ধান ভাল থাকলেও ধানের শীষ বের হবার পর থেকে শীষ মরে যাচ্ছে। প্রথমে জমিতে দু/একটি মরা শীষ দেখা গেলেও বর্তমানে তা ব্যপক আকার ধারণ করেছে। কৃষকরা বলছেন বিভিন্ন কোম্পানীর ওষুধ ছিটিয়েও কোন লাভ হচ্ছে না। এতে করে ধানের ফলন বির্পযয় হতে পারে বলে আশংকা করছেন তারা। তারা আরো জানান আগাম জাতের মোটা ধান ভাল থাকলেও প্রতি বছর আতব ধান পাকার আগেই মাজরা পোকা,কিম্বা ব্লাষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে শীষ মরে যায়। এতে ফলন বিপর্যয়ের কারনে লোকসান হয়। এবারও একই রকম অবস্থা দেখা দিয়েছে। এতে করে চিনি আতব ধানের চাষ আগের চাইতে অনেক কমে গেছে।

[৫] আদমদীঘি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিঠু চন্দ্র অধিকারী বলেন, আদমদীঘি উপজেলা জুরে চলতি মৌসুমে কৃষকদের বিভিন্ন ভাবে ধান চাষে পরামর্শ দিয়েছি। কৃষকরা পুরোপুরি আমাদের কথা না মানায় কিছু এলাকায ব্লাষ্ট রোগ দেখা দিয়েছে। ফলে ধানের শীষ মরে যাচ্ছে যা পরিমানে খুবই অল্প। এতে ধানের ফলন বিপর্যয়ের আশংকা তেমন নেই। পরবর্তীতে এমন সমস্যা বিস্তর না হয় সে বিষয়ে কৃষকদের পাশাপাশি আমরা ও প্রস্তত থাকবো।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত