প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] চীন পরবর্তী দালাইলামা নির্বাচন করলে মানবে না যুক্তরাষ্ট্র

রাশিদুল ইসলাম : [২] দালাইলামা বেছে নেওয়ার কোনও অধিকার নেই চীনের এমন বক্তব্য দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম দফতরের দূত স্যামুয়েল ডি ব্রাউনব্যাক। মার্কিন এই কূটনীতিক গত অক্টোবর ভারতে প্রবাসী তিব্বতী সরকারের কার্যালয় ধরমশালা শহরে এসেছিলেন। মঙ্গলবার তিনি সাংবাদিকদের জানান, ধরমশালায় গিয়ে প্রবাসী তিব্বতীদের সঙ্গে দেখা করে এসেছি। আমি তাদের বলেছি, চীন যদি দলাই লামা বাছতে যায়, যুক্তরাষ্ট্র তা সমর্থন করবে না। ট্রিবিউন/ইকোনোমিক টাইমস/ওয়াল

[৩] এর আগে চীন জানায়, এবার তারাই দালাইলাম বেছে নেবে। কিন্তু আমেরিকার ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম দফতরের দূত স্যামুয়েল ডি ব্রাউনব্যাক বলছেন চীনের দালাইলাম বেছে নেওয়ার কোনও অধিকার নেই। তিব্বতের বৌদ্ধরা শত শত বছর ধরে তাদের আধ্যাত্মিক নেতাকে বেছে নিয়েছেন।

[৪] ব্রাউনব্যাক বলেন, চীনের কমিউনিস্ট পার্টি কখনও দলাইলামা বাছতে পারে না।

[৫] চতুর্দশ দালাইলামা বয়স এখন ৮৫। ১৯৫৯ সালে তিব্বতের বৌদ্ধরা চীন সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। কঠোরভাবে সে বিদ্রোহ দমন করে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি। এরপর চতুর্দশ দালাইলামা তিব্বত থেকে ভারতে পালিয়ে আসেন। হিমাচল প্রদেশের ধরমশালা শহরে তিব্বতের প্রবাসী সরকার গঠিত হয়। বর্তমানে ভারতে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার তিব্বতী বাস করছেন।

[৬] ব্রাউনব্যাকের অভিযোগ, চীন এখন যেমন ধর্মীয় নিপীড়ন চালাচ্ছে, আগে কেউ তেমন করেনি। চীন মনে করছে এভাবে সন্ত্রাসবাদকে প্রতিহত করা যাবে। কিন্তু ধর্মীয় নিপীড়ন চালিয়ে সন্ত্রাসবাদকে প্রতিহত করা যায় না। এর ফলে বরং আরও বেশি সন্ত্রাসী সৃষ্টি হবে।

[৭] মার্কিন দূত আরো বলেন, সকলকে বন্দি করে সন্ত্রাসবাদ ঠেকানো যায় না। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আমাদের অস্ত্র হল ধর্মীয় স্বাধীনতা। মানুষকে স্বাধীনভাবে তার ধর্ম পালন করতে দিতে হবে। চীন যদি অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দিত, তাহলে তারা আরও খোলামেলা সমাজ গড়তে পারত।

[৮] ব্রাউনব্যাকের বক্তব্য, চীন ভিন্ন মতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। উইঘুর, তিব্বতী বৌদ্ধ, খ্রিস্টান হাউস চার্চ, ক্যাথলিক চার্চ এবং ফালুন গং, সব ধর্মের মানুষকেই তারা দমন করতে চায়। তাদের উদ্দেশ্য হল পুলিশি রাষ্ট্র গড়ে তোলা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত