প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] টিগ্রেই অঞ্চলে তরুণদের নির্বিচারে হত্যা করছে ইথিওপিয়ার সেনারা

সিরাজুল ইসলাম: [২] পাশের দেশ সুদানে আশ্রয়শিবিরে আশ্রয় নেয়া মেসা গেদাই আরও বলেন, কোন মতো প্রাণ নিয়ে তিনি মাই-কাদরা শহর থেকে পালিয়ে এসেছেন। পথে স্ত্রী ও চার বছরের ছেলেকে হারিয়েছেন। তারা কোথায় আছে বা আদৌ বেঁচে আছে কি না, তা তিনি জানেন না। এএফপি

[৩] আশ্রয়শিবিরে ঠাঁই নেয়া যুবক গেরদো বোরহান বলেন, সরকারি বাহিনীর হাতে ধরা পড়লে রক্ষা নেই। তারা বন্দুকের নলের মুখে জানতে চায়- তুমি টিগ্রেইর বাসিন্দা কি না? একটু ইতস্তত করলেই গুলি করে মরদেহ রাস্তায় ফেলে যায়। অনুনয় বিনয় করলেও লাভ নেই। তারা মারধর করতেই থাকে। কখনও মারধরে মৃত্যু হয়। কখনও ধরে নিয়ে যায় অজ্ঞাত স্থানে। সেখান থেকে কেউ ফিরে আসে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। পরিস্থিতি খুবই ভয়ংকর।

[৪] তিনি বলেন, সৌভাগ্যক্রমে তিনি পালিয়ে সুদানে আসতে পেরেছেন। পথ সুগম ছিলো না। পাহাড়ি ঘন বনজঙ্গল ও দুর্গম পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। পথে হারিয়ে ফেলেছেন মা-বাবা ও দুই বোন।

[৫] ৭৫ বছর বয়সী গানেত গাজেরদিয়ের বলেন, বিস্ফোরণ ঘটিয়ে মরদেহগুলোকে ছিন্নভিন্ন করে ফেলা হচ্ছে। অনেক মরদেহ পচে যাচ্ছে। ছুরি মেরে অনেককে হত্যা করা হচ্ছে। প্রবল গুলির শব্দে পালিয়ে আসার সময় তিনি দুই মেয়েকে হারিয়ে ফেলেছেন।

[৬] কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপর আঞ্চলিক সেনা বাহিনী হামলা করেছে- এমন অভিযোগে ৪ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ সেখানে জাতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনী পাঠান এবং সামরিক অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন। এরপর থেকে উভয় পক্ষে সংঘর্ষ চলছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিয়েছে স্থানীয় মিলিশিয়া বাহিনী।

[৭] প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার মানুষ টিগ্রেই ছেড়ে সুদানে পালিয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে প্রায় ২৭ হাজার মানুষ সুদানে ঠাঁই নিয়েছে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত