প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আব্দুন নূর তুষার: গেটিসবার্গের বক্তৃতার আগে আমেরিকানরা গণতন্ত্রের সংজ্ঞা কী সেটাই জানতো না!

আব্দুন নূর তুষার: আমেরিকান গণতন্ত্র নিয়ে এতো উচ্ছাসের কিছু নেই। আমার ভোট একজনের জন্য তিনটা আর আপনার ভোট তিনজনের জন্য একটা। এবার আসেন ভোট দিই। এজন্য দেশের বেশির ভাগ ভোটার অ্যাল গোর আর হিলারীকে ভোট দেয়ার পরেও জিতে বুশ আর ট্রাম্প। আইয়ুব খানের বেসিক ডেমোক্রেসি প্রায় এরকমই ছিলো। উনি বেসিক ডেমোক্রেট দিয়ে ইলেকটোরাল কলেজ খুলে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন। গণতন্ত্র দেখতে হলে কানাডা যান অথবা ইওরোপে আসেন। না হলে জাপান বা এখনকার দক্ষিণ কোরিয়া। সম্ভব হলে আমেরিকান ডেমোক্রেসির ওপরে আমেরিকানদের বানানো ফ্রি মিডিয়ার তথ্যচিত্র দেখেন।

যে আব্রাহাম লিংকনকে নিয়ে এতো বাহাদুরী সেই আব্রাহাম লিংকন বাঁহাতি ছিলেন। ফিলাডেলফিয়ার লিংকন মনুমেন্টে তিনি ডান হাতে কলম ধরে আছেন। কারণ আমেরিকানরা মনে করে বাঁ হাতে শয়তান লেখে। হা হা হা । সেটা কিন্তু মৌলবাদ না। আর লিংকন তার প্রাইমারিতে কি করেছিলেন সেটা শোনেন। তার সমর্থকরা প্রাইমারির শেষ ভোটাভুটির দিনে তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী সিওয়ার্ডকে ঠেকাতে নিজেরা দ্রুত ভেতরে প্রবেশ করে শহরের মাংস বিক্রেতা থেকে যতো নিম্ন আয়ের লোকজন আছে তাদের গেটে দাড়া করিয়ে লম্বা লাইন বানিয়ে দিয়েছিলো। যার ফলে তার প্রতিদ্বন্দ্বির সমর্থক ভোটাররা হলেই প্রবেশ করতে পারেনি।

এর আগে দুবার ভোটাভুটিতে লিংকন পিছিয়ে ছিলেন এবং কোনোমতে টিকেছিলেন। তিনি এই পদ্ধতিতে তৃতীয় ভোটাভুটিতে জিতেছিলেন। শুধু তাই না তিনি পপুলার ভোটের ৪০ শতাংশ ভোট পেয়ে পাস করেছিলেন। কারণ হলো সেই ইলেক্টোরাল ভোট। দক্ষিণের অনেকগুলো স্টেটে তার নাম ব্যালটেই ছিলো না। তারপরেও তাকে ঠেকানো যায়নি। এই হিসাবের কারণে। লিংকনকে আমেরিকান জনগণের অধিকাংশ চায়নি। তারপরেও তিনি প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন। খালি একটা জিনিস ভাবেন। গেটিসবার্গের বক্তৃতার আগে আমেরিকানরা গণতন্ত্রের সংজ্ঞা কি সেটাই জানতো না। হা হা হা। এখন যেখানে সেখানে অব দ্য পিপল , ফর দ্য পিপল , বাই দ্য পিপল জপে। ইতিহাস সবদিক থেকে জানতে হয়। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত