প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আশুগঞ্জ রেলস্টেশনে নেই পর্যাপ্ত জনবল, সেবাবঞ্চিত যাত্রীরা!

তৌহিদুর রহমান নিটল : নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়তের কথা ভেবে মানুষ সড়ক পথের তুলনায় রেলপথে ভ্রমণের দিকে ঝুঁকে পড়ছে প্রতিনিয়ত। এর ফলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জ রেলস্টেশনে প্রতিনিয়ত বাড়ছে যাত্রীর সংখ্যা। কিন্তু রেল স্টেশনটিতে দায়িত্বরত পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন যাত্রীরা। সরেজমিনে ঘুরে ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,

আশুগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে প্রয়োজনের তাগিতে প্রতিদিন হাজারো যাত্রী ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীতে পথে যাতায়াত করেন।
কিন্তু পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় তাদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। যেখানে রেলস্টেশনে কমপক্ষে ১২ জন জনবল থাকার কথা। সেখানে বর্তমানে স্টেশন মাস্টার, বুকিং সহকারি, সিলম্যান ও গুশ সহকারিসহ সর্বমোট জনবল রয়েছে ৪ জন। ট্রেন আসা-যাওয়ার সময় ছাড়া স্টেশনে গেলে কোনো সেবা পাওয়া যায় না। এছাড়া ট্রেনের সময় ছাড়া কাউন্টারে থাকে না টিকেট বিক্রেতা, প্যাটফর্মের বিশ্রামাগার থাকে প্রায় সময়ই বন্ধ । এতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা যাত্রীরা পড়েন চরম বিপাকে।

কথা হয়, ঢাকায় মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনে যাওয়ার জন্য স্টেশনে অপেক্ষা বৃদ্ধা জাহানারা বেগম সাথে, তিনি বলেন, বয়সের কারণে বাসে ভ্রমণ করতে পারি না। ট্রেনে যাওয়াই ভালো হবে মনে করে স্টেশনে এসেছি। কিন্তু এখানে এসে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়েছে। তিনটি কাউন্টারের দুটিই বন্ধ, একটি কাউন্টারে দীর্ঘ লাইন ধরে টিকেট কাটতে হয়েছে। স্টেশনের বিশ্রামাগারের কক্ষটি তালা ঝুলছে। তালা খুলে দিতে কয়েকবার বললেও স্টেশনের কেউ আসেনি। এখন ট্রেন আসা পর্যন্ত বাইরেই কষ্ট করে অপেক্ষা করতে হবে।

এ ছাড়া বেশ কয়েকজন যাএী বলেন, স্টেশনের নিরাপওার যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। এছাড়া স্টেশনটি বেশিরভাগই অংশই খোলা মেলা।
যার কারণে যাএীদের মালামাল প্রায় সময় খোয়া যাচ্ছে। আশুগঞ্জ রেলস্টেশনের মাস্টার মো: নূর-নবী জানান, স্টেশন ১২ জন জনবলের মর্ধ্যে বর্তমানে আমরা ৪ জন দায়িত্ব পালন করছি। নিরাপওা জন্য উপরে চিঠি পাঠিয়েছি। কিন্তু এখনো এ ব্যাপারে কোন ব্যবস্হা হয়নি।
প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবে আমাদেরও স্টেশনের কার্যক্রম চালাতে কষ্ট হচ্ছে। এসব বিষয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। রেলে নতুন নিয়োগ হলেই আমরা পর্যাপ্ত জনবল পাবো। যাত্রীদেরও আর ভোগান্তি পোহাতে হবে না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত