শিরোনাম
◈ বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা দিয়ে শুরু প্রধানমন্ত্রীর নতুন অধ্যায়, নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা ◈ স্বাধীনতার পর প্রথমবার মন্ত্রীশূন্য নোয়াখালী ◈ অগ্নিপরীক্ষার মুখে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নতুন অধ্যায় শুরু: ইন্ডিয়া টুডের রিপোর্ট ◈ নির্বাচনি বাটোয়ারা মেনে নিয়ে এখন বিরোধিতার নাটক করা বন্ধ করেন: মাহফুজ আলম ◈ গায়কসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৬ নেতা-কর্মী কলকাতায় গ্রেপ্তার ◈ গেজেট প্রকাশ: তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ, ভেঙে গেলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ◈ প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব, সহকারী একান্ত সচিব ও প্রটোকল অফিসার নিয়োগ ◈ বেনাপোলে পাচারের শিকার ২৮ শিশুর স্বদেশ প্রত্যাবাসন ◈ এবার জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর নামে পাল্টা মামলা ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানালেন ভারতের স্পিকার

প্রকাশিত : ২৮ অক্টোবর, ২০২০, ০২:২১ রাত
আপডেট : ২৮ অক্টোবর, ২০২০, ০২:২১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যে ৫টি যুদ্ধ কমান্ড স্থল তৈরি করছে ভারত

সিরাজুল ইসলাম: [২] শত্রু মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে আরও ভালোভাবে সমন্বয় সাধন করার জন্য ২০২২ সাল নাগাদ এগুলো তৈরি করা হবে। পাকিস্তান ও চীনের জন্য লড়তে থাকছে একটি করে কমান্ড। ২১ অক্টোবর সেনাপ্রধান জেনারেল এমএম নারাভানে এ তথ্য জানান। ইয়ন

[৩] তিনি বলেন, কমান্ড স্থলগুলো তিন বাহিনীর সক্ষমতা আরও বাড়াবে। সশস্ত্র বাহিনী পুনর্গঠন এখন সময়ের দাবি। প্রতিরক্ষা প্রধান বিপিন রাওয়াত এরই মধ্যে এগুলো তৈরির ব্যাপারে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন।

[৪] উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ড হবে লাদাখের কারাকোরাম থেকে অরুণাচল প্রদেশের কিবুথু পর্যন্ত ৩ হাজার ৪২৫ কিলোমিটার। এর সদর দপ্তর হতে পারে লক্ষেèৗতে। হিন্দুস্তান টাইমস

[৫] পশ্চিমাঞ্চলীয় কমান্ড হবে সিয়াচেন হিমবাহ অঞ্চলের সাল্টোরো রিজে ইন্দিরা কর্নেল থেকে। তবে এর শেষ সীমানা বলা হয়নি। এর সদর দপ্তর হতে পারে গুজরাটের জয়পুর।

[৬] তৃতীয় কমান্ড হবে পেনিসুলারে। এর সদর দপ্তর হবে তিরুবনন্তপুরম। চতুর্থটা পুরোপুরি বিমান প্রতিরক্ষা কমান্ড। এটা শুধু বিমান বাহিনীর হামলার সক্ষমতা বাড়াবে না; বরং ভারতের আকাশে শত্রু মোকাবেলা এবং যেকোনও ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে পারবে। পঞ্চমটা কমান্ড হবে নৌবাহিনীর জন্য।

[৭] প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিপিন রাওয়াতকে কমান্ডগুলো তৈরির দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে কাজও শুরু হয়ে গেছে। অভিযানের কলাকৌশল নির্ধারণ করা হচ্ছে। তাদের এক সঙ্গে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এতে খরচও কমবে। আবার নিজেদের মধ্যে সমন্বয়ও বাড়বে। জিনিউজ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়