প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সেন্টমার্টিন থেকে ফিরেছে আটকে পড়া পর্যটকরা

ফরহাদ আমিন: [২] কক্সবাজারের-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পুনরায় পর্যটকবাহি জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে।ফলে বৈরী আবহাওয়ার কারণে গত ৩দিন ধরে সেন্টমার্টিনে আটকে পড়া প্রায় ২শতাধিক পর্যটক ট্রলারে ফিরেছে বলে জানিয়েছে ট্রলার কর্তৃপক্ষ।

[৩] রোববার দুপুরে এফবি সুমাইয়া,এফবি তামিম গোলাল ও এফবি ফাতেমা নিয়ে টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ঘাটে পৌঁছেন।

[৪] সেন্টমার্টিন সার্ভিস বোট মালিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ আলম বলেন,প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী বৈরী আবহাওয়ায় গত ৩দিন কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌরুটে জাহাজ চলাচল বন্ধ ছিল।কিন্তু শনিবার রাত থেকে সংকেত কেটে যাওয়া রোববার পুনরায় পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। সকালে তিনটি সার্ভিস ট্রলারে আটকা পড়া প্রায়২শতাধিক পর্যটক সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফের উদ্দেশ্য ছেড়ে গেছে।

[৫] এদিকে কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউ ঘাট থেকে সকাল ৭টায় সাড়ে ৫ শতাধিক পর্যটক নিয়ে জাহাজটি সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। যা দুপুর ১টার মধ্যে সেন্টমার্টিনে পৌছে। সাড়ে ৫শতাধিক পর্যটকের মধ্যে রোববার রাত্রিযাপন করবে আড়াই’শ পর্যটক। সুতরাং গত ৩দিন ধরে আটকে পড়া সাড়ে ৪ শতাধিক পর্যটক এর মধ্যে প্রায় ২শতাধিক ফিরেছে। অন্যান্যরা বিকেল ৪টার জাহাজটি সেন্টমার্টিন থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে।

[৬] খুলনা থেকে আগত সেন্টমার্টিনে আটকা পড়া পযটক ট্রলারে ফিরেছে আব্দুল্লাহ আল হাবি।তিনি বলেন,পেশায় একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার করোনার কারনে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে পাঁচ বন্ধু ঢাকা থেকে কক্সবাজার উদ্দেশ্য রউনা দেন। ১৮ অক্টোবর কক্সবাজার থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ কর্ণফুলী এক্সপ্রেসের করে সেন্টমার্টিন যায়। আমাদের ফালান ছিল ২০অক্টোবর সেন্টমার্টিন থেকে ব্যাগ করা। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে আটকা পড়ে চারদিন অতিরিক্ত থাকতে হল।প্রথমে আমরা সাইরা রিসোর্টে রাত যাপন করি।এরপর কিং সুখীগু রিসোর্টে তিনদিন থাকি।এরপর সরকারি বাংলো তে দুই দিন থেকে আজকে আবহাওয়া ভাল হওয়ায় তিনটি ট্রলারে করে প্রায় ২শতাধিক পর্যটক চলে এসেছি।

[৭] তিনি আরো বলেন, সেখানে দুর্যোগকালীন সময়ে কেউ আমাদের খোঁজখবর নিতে আসে নাই। সেন্টমার্টিনে ব্যাংকের কোন ভূত ছিল না তাই আমাদের অর্থনীতি প্রবলেম ছিল। পরে বিকাশে করে টাকা এনে কষ্ট করে নিতে হয়েছে। খাবারে রেস্টুরেন্টে মুরগী -গরু মাংস ও ডিম কিছু ছিল না। আলো বার্তা ও বাঁশি মাছ দিয়ে কেটে হয়েছে।কোন হোটেল ও রিসোর্টে কেউ ডিসকাউন্ট দেয়নি।

[৮] এ ব্যাপারে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমেদ বলেন,আটকে পড়া পর্যটকদের নিয়ে যাওয়ার জন্য কক্সবাজার থেকে রোববার দুপুরে পর্যটকবাহী জাহাজটি দ্বীপে এসেছে ছিল। সকাল ও বিকেলে ট্রলার ও জাহাজে সেন্টমার্টিন ত্যাগ করেছেন তারা। সম্পাদনা: সাদেক আলী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত