প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রীতি ওয়ারেসা: পিরিয়ডকালীন কাপড় পরিষ্কার করা ছিলো, কঠিন রকম মেন্টাল ট্রমা

প্রীতি ওয়ারেসা: পিরিয়ডের সময় কাপড় ব্যবহার করা প্রজন্মের একজন আমি। আমার বয়ঃসন্ধিকালে প্যাডের কোপনভ ব্যবহারই ছিলো না। কৈশোরকাল কেটেছে মফঃস্বলে। সে সময় টয়লেটে ট্যাপের ব্যবস্থাও ছিলো না। ঘরে ঘরে টিউবওয়েল। টিউবওয়েলের পানি খাওয়া হতো বলে সেই টিউবওয়েলের অবস্থান টয়লেটের আশেপাশে রাখা হতো না, বেশখানিকটা দূরে গোসলখানার সাথে থাকতো। এসব স্মৃতিচারণের উদ্দেশ্য হলো, শৈশব পেরিয়ে কৈশোরে পা দেওয়া একটা ছোট্ট মেয়ের জন্য পিরিয়ড ব্যাপারটা কতোটা দুর্বিষহ, কতোটা বিভীষিকাময় ছিলো সেটার একটা ধারণা দেওয়া। একই কাপড় পরিষ্কার করে বারবার ব্যবহার করা হতো। পিরিয়ডকালীন সেই কাপড় পরিষ্কার করা ছিলো, কঠিন রকম মেন্টাল ট্রমা। আরও ছিলো মেয়ের বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্য বিষয়ে মা-বাবার অশিক্ষা ও অসহযোগিতা। মানসিক বিপর্যয় থেকে উত্তরণের জন্য কোনো ভালো কিছু তাদের মাধ্যমে জানবার সুযোগ ঘটেনি।

একসময় হাতে পেলাম কোনো রকমে চলনসই প্যাড। এরপর বাইরের উন্নতমানের প্যাডও পাওয়া শুরু হলো, প্রয়োজন অনুযায়ী সেসব ভিন্ন ভিন্ন আকারের, ভিন্ন ভিন্ন পুরুত্বের, বেশ কয়েক ঘণ্টা করে প্রটেকশন দেয়। ধীরে ধীরে ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য যাচাইয়ের জন্য আমি নানা রকম ব্র্যান্ডের প্যাড সংগ্রহ করতে শুরু করি। কাপড় ব্যবহার থেকে ভীষণ খারাপ অভিজ্ঞতা যেমন, হয়েছে ঠিক তেমনই নানা রকম প্যাড থেকেও নানারকম অভিজ্ঞতা হয়েছে। সপ্তাহ তিনেক আগে উপহার হিসেবে পেলাম এক ঝুড়ি প্যাড। বন্ধু+বোন অঃরয়ঁধ জড়সধ’র মাধ্যমে ঝুড়িটা পাঠিয়েছেন আতিকার বাল্যবন্ধু শামস টিটু। টিটুর প্রতিষ্ঠান সিল্ক এন্টারপ্রাইজ এই প্যাড আমদানি ও বাজারজাতকরণ করছে। সিল্ক নামক চায়নার তৈরি এই প্যাড আলট্রা থিন। খোলার পরে আবিষ্কার করি আলট্রা থিন নামকরণের মাজেজা। এতোটাই পাতলা আর ওজনহীন যে আমি ভেবেছিলাম এটা কোনো কাজেরই হবে না। ব্যবহারের পর অবশেষে ফিডব্যাক দিতে বাধ্য হলাম। নিশ্চিন্তে বেশ কয়েক ঘণ্টা ব্যবহার করা যায় এবং এক্সট্রা ভার অনুভব হয় না। আমার বিশ্বাস যারা ব্যবহার করেছেন, তাদের সবারই একই ধারণা। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত