প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সাঈদ তারেক: ধর্ম নিয়ে বাণী-বচন!

সাঈদ তারেক: মূর্খের সমাজে ধর্ম হচ্ছে একমাত্র সস্তা বিষয়, যা নিয়ে লিখলে রাতারাতি আলোচিত-সমালোচিত, কুখ্যাত-বিখ্যাত হওয়া যায়। যারা পক্ষে লিখেন বা ধর্মের মাহাত্ম বর্ণনা পূর্বক গুণকীর্ত্তন করেন, তারা সমচেতনার লোকদের কাছে প্রশংসিত হন। কিন্তু ভিন্ন মতাবলম্বীদের কাছে হয়ে যান ‘ধর্মান্ধ’ ‘গোড়া’ ‘মৌলবাদী’ ‘প্রতিক্রিয়াশীল’। এতে অবশ্য তাদের কিছু যায়-আসে না। কারণ তারা এসব কেয়ার করেন না। তবে যারা ধর্মের বিরুদ্ধে লেখেন, সমালোচনা করেন, ধর্মীয় বিধিবিধান বা ধর্মপালনকারীদের নিয়ে ব্যঙ্গবিদ্রুপ করেন তাদের খুব সুবিধা। এতে অল্প সময়ে বিখ্যাত হয়ে যাওয়া যায়। কেউ কেউ ওভার নাইট তারকা খ্যাতি লাভ করেন। আমলনামায় ‘অসাম্প্রদায়িক’ ‘ধর্মনিরুপেক্ষ’ ‘মুক্তমনা’ ‘প্রগতিশীল’ টাইটেল যুক্ত হয়ে যায়। সমাজের একটি বিশেষ অংশে তারা জাতে উঠে যান। কোনোমতে ‘মৌলবাদী’দের কাছ থেকে একটা ‘লাইফ থ্রেট’ বা ‘হুমকি’ যোগাড় করা গেলে কপাল খুলে গেলো।

উন্নত দেশের ভিসা রেসিডেন্সি ভাতা নাগরিকত্ব- লাইফ সেট। শুনতে পাই, এই মতলবেও নাকি কেউ কেউ ধর্ম নিয়ে খোচাখুচি করে। এই ফর্মুলা এস্তেমাল করে ইতোমধ্যেই কেউ কেউ মোক্ষলাভ করে ফেলেছে। এতে উদ্বুদ্ধ হয়ে কিছু অল্প বা অর্ধশিক্ষিত তরুণ যুবক নাকি ‘প্রগতিশীল’ সেজেছে। তাদের মাঝেই দেখা যায় ধর্ম নিয়ে যতো দুশ্চিন্তা। ফেসবুক বা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ধর্ম বা মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস আচার-আচরণ নিয়ে বেহুদা খোচাখুচি আমার কাছে খুবই বিরক্তিকর লাগে। খুবই নিম্নরুচির পরিচায়ক। কী লাভ বা যারা এগুলো করেন কী মজা পান, কোন লক্ষ্য হাসিল করেন বুঝি না। তবে এসব লেখা বা এক-দুই লাইনের বাণী বচনের প্রতিক্রিয়ায় যে পাল্টা বাণী-বচন দেখতে পাই, কোনো কোনোটা পড়ে আমি নিজেই লজ্জিত হয়ে যাই। যারা এসব লেখেন তারা হয়তো পাবলিকের গালাগালিগুলো এনজয় করেন, কিন্তু এসব লেখালেখিতে হিংসা-বিদ্বেষ রেষারেষি বেড়ে যাওয়া ছাড়া মানুষ বা সমাজের কোনোই লাভ হয় না। এসব পড়ে কেউ ‘ধর্ম ত্যাগ’ করেন না, ‘আলোকিত’ হন না, ‘কুসংস্কারমুক্ত’ হন না বা ‘ধর্মনিরুপেক্ষ’ও বনে যান না। বেহুদা এসব বিরক্তি উদ্রেককারী পোস্ট না দিলেই কি নয়? ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত