শিরোনাম
◈ গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে ভারতীয় গোয়েন্দার বৈঠকের অভিযোগ, প্রমাণ দিতে রাশেদ খানকে জামায়াতের চ্যালেঞ্জ ◈ ভোগান্তিতে ২২ হাজার যাত্রী, রিয়াদ বিমানবন্দরে বুধবার থেকে ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা ◈ ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের আঘাতের সময় এগিয়ে এসেছে, বাংলাদেশে ৩ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস ◈ জাপানের বিগ-বি পরিকল্পনা কী, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ঘিরে বাংলাদেশের সম্ভাবনা এবং ভারতকে যুক্ত করতে চায় কেন? ◈ মাদুশাঙ্কার ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ধস পাকিস্তানের, ফাইনা‌লে শ্রীলঙ্কা ◈ আগামী পাঁচ বছরে প্রতিটি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণ কর‌বে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ◈ বুধবার মিরপুরে বাংলা‌দেশ-ও‌য়েস্ট ইন্ডিজ সি‌রি‌জের প্রথম টেস্ট ◈ জাপানের চাকরির বাজারে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়াতে বিশেষ প্রশিক্ষণের উদ্যোগ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ সুন্দরবনের পশুর নদীতে ১২৫০ টন কয়লাবোঝাই জাহাজডুবি, ঝুঁকিতে জীববৈচিত্র্য ◈ পর্যটকদের জন্য সুখবর, সেন্টমার্টিনে রাতযাপন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত : ১৮ অক্টোবর, ২০২০, ১১:৫৪ দুপুর
আপডেট : ১৮ অক্টোবর, ২০২০, ১১:৫৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] মুক্তিযোদ্ধাদের চিরস্মরণীয় করে রাখতে পরিকল্পনা গ্রহণের সুপারিশ

মনিরুল ইসলাম: [২] পহেলা ডিসেম্বও সরকারিভাবে মুক্তিযোদ্ধা দিবস পালন করার প্রস্তাব দিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কমিটির বৈঠকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত বৃটিশ সৈন্যদের বৃটিশরা যেভাবে আজও স্মরণ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সেভাবে চিরস্মরণীয় করে রাখতে পরিকল্পনা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।

[৩] রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি মো. শাজাহান খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও কাজী ফিরোজ রশীদ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন ঘোষসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

[৪] বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি শাজাহান খান সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি ঘোষণা না থাকলেও পহেলা ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা দিবস পালন করা হয়। এক সময় যখন মুক্তিযোদ্ধারা থাকবেন না তখনও যাতে তাদের স্মরণ করা হয় সেজন্য মুক্তিযোদ্ধা দিবসটি সরকারিভাবে পালনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

[৫] তিনি আরও বলেন, সরকার যদি গেজেট করে একটা দিবস ঘোষণা করে তখন সেটা পালন করার বাধ্য-বাধকতা থাকে। তাই আমাদের প্রস্তাব মন্ত্রণালয় মন্ত্রীসভার বৈঠকে তুলবে। মন্ত্রীসভা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

[৬] জানা যায়, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম থেকে মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের প্রথম দিনটিকে ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ হিসেবে ঘোষণার দাবি করা হয়। ২০০৪ সালের ১২ জানুয়ারি পল্টনে এক মহাসমাবেশ থেকে এই দাবি জানানোর পর থেকে পহেলা ডিসেম্বরকে ‘মুক্তিযোদ্ধা দিবস’ হিসেবে পালন শুরু হয়।

[৭] বৈঠকে জানানো হয়, মুক্তিযোদ্ধারা যেন স্বচ্ছলভাবে জীবন যাপন করতে পারেন সেজন্য ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে তাদের মাসিক সম্মানী আট হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আর মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট সাধারণ শিক্ষায় অধ্যয়নরত প্রত্যেককে এক হাজার টাকা এবং মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং অধ্যয়নরত প্রত্যেককে এক হাজার ৫০০ টাকা হারে ২০১২-১৩ অর্থ-বছর থেকে ২০১৭-১৮ অর্থ-বছর পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৪৬০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনা কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে, তা যাচাই বাছাইয়ে ভবিষ্যত পরিকল্পনা গ্রহণের লক্ষ্যে বৃত্তিপ্রাপ্তদের বিস্তারিত তথ্য আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়।

কমিটি সূত্রে জানা যায়, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের যে চিকিৎসা খরচ দেওয়া হয় প্রয়োজন অনুযায়ী তা মাসিক হারে প্রদানের সুপারিশ করা হয়। এছাড়া জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের আয় ও ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব বিবরণী এবং আয়-ব্যয়ের অডিট প্রতিবেদন আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য বলা হয়।

  • সর্বশেষ