প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] একটি ফুল কুঁড়িতেই শেষ, রাসেল আর ফুটতে পারেনি: শেখ হাসিনা

বাশার নূরু: [২] প্রধানমন্ত্রী শেখ তার ছোট ভাই শহীদ শেখ রাসেলের জন্মের সময়কার কথা স্মরণ করে বলেন, রাসেল যেদিন জন্ম নিয়েছে, সে দিনের কথাটা এখনো আমার মনে পড়ে। একটা ছোট্ট শিশু আসবে, আমাদের পরিবারে, আমি কামাল-জামাল, রেহানা-আমরা সবাই খুব উৎসাহিত এবং বেশ উত্তেজিত ছিলাম, কখন সেই শিশুটির কান্না আমরা শুনবো, কখন তার আওয়াজটা পাবো, কখন তাকে কোলে তুলে নেবো।

[৪] তিনি বলেন, ছোট্ট রাসেল কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাবা কারাগারে। যখন সে একটু বড় হলো, তখন কারাগার থেকে বাবাকে কীভাবে নিয়ে আসবে, তা নিয়ে কান্নাকাটি করতো। বাবা যখনমুক্তি পান, তখন যে জিনিসটা সব সময় দেখতাম, রাসেল সর্বক্ষণ- মনে হয় যেন ওর ভেতরে একটা ভয় ছিল যে কোনো মুহূর্তে বুঝি বাবাকে হারাবে।

[৫] প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে আমার মাকেও বন্দি করা হলো। রাসেলও তখন বন্দি। আমার ভাই কামাল মুক্তিযুদ্ধে চলে যাচ্ছে, এক সময় জামালও গেরিলা কায়দায় বন্দিখানা থেকে চলে গেল মুক্তিযুদ্ধে। রাসেলের চোখে সব সময় পানি। ওইটুকু একটা ছোট্ট শিশু, সে তার কষ্টটা কাউকে বুঝতে দিত না। যদি জিজ্ঞেস করতাম, কি হয়েছে? বলতো, চোখে কিছু একটা পড়ে গেছে। তার যে নিরব কান্না তা সে কখনো প্রকাশ করতো না।

[৬] শেখ হাসিনা বলেন, শেখ রাসেল, তার জীবনে একটা শখ ছিল, সে বড় হলে সেনাবাহিনীর সদস্য হবে। যখন আমরা গ্রামে বেড়াতে যেতাম- গ্রামের ছোট ছোট শিশু সবাইকে সে একত্রিত করতো, তাদের দিয়ে সে প্যারেড করাতো।

[৭] রোববার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে শেখ রাসেলের ৫৭তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি প্রধানমন্ত্রী।

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত