প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ডেথ রেফারেন্সে আটকে আছে ধর্ষণের পর হত্যার ১৪৪ মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক : [২] ধর্ষণ মামলায় মৃতুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের রায় দ্রুত কার্যকরে শিগগিরই হাইকোর্টে পৃথক বেঞ্চ গঠন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল। প্রধান বিচারপতির অনুমতি পেলেই চলতি মাসেই শুরু হবে বেঞ্চের কার্যক্রম। [৩] ডেথ রেফারেন্স শুনানি শুরু না হওয়ায় কার্যকর করা যাচ্ছে না ১৪৪ জন ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড। আইনমন্ত্রী বলছেন ধর্ষণের সাজা কার্যকরে বদ্ধপরিকর সরকার।

[৪] রাজধানীর ওয়ারীতে ৭ বছরের শিশু সায়মাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে ধর্ষক হারুন উর রশিদকে গেল ৯ মার্চ মৃত্যুদণ্ড দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১। অভিযোগ গঠনের মাত্র ৬৬ দিনের মাথায় বিচারিক আদালতে মামলার রায় ঘোষণা হলেও, ৮ মাসেও হাইকোর্টে শুরু হয়নি ডেথ রেফারেন্স শুনানি। এতে সাজা কার্যকর করা যাচ্ছে না শিশু সায়মার ধর্ষক ও হত্যাকারীর।

[৫] ২০০৯ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ১১ বছরে ধর্ষণের পর ভুক্তভোগীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়াদের মধ্যে মাত্র ৫ আসামির ফাঁসি কার্যকর করা গেছে। এ অপরাধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া ১৪৪ আসামি আছেন কনডেম সেলে, যাদের সাজা কার্যকর করা হচ্ছে না উচ্চ ডেথ রেফারেন্স শুনানি সম্পন্ন না হওয়ায়।

[৬] ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার জেল সুপার সুভাষ কুমার বলেন, কিছু আইনি প্রক্রিয়া আছে, মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়া হলে সাথে সাথে এটা কার্যকর করা যায় না।

[৭] সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে বর্তমানে মোট ডেথ রেফারেন্সের ১ হাজার ৮২৭টি মামলা বিচারাধীন। ডেথ রেফারেন্স শুনানিতে কেন এতো বিলম্ব? জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন জানালেন, যারা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তাদের পক্ষে মামলা করতে একটু দেরি হয়। এরকম আরো অনেক কারণেই দেরি হয়।

[৮] ধর্ষণ মামলার দ্রুত বিচার ও অপরাধীদের সাজা দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ জানিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, আমরা নিশ্চয়ই চেষ্টা করব যে এই অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।

[৯] নারী ও শিশু নির্যাতন দমনে সারাদেশে ৯৫টি ট্রাইব্যুনাল রয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে এসব ট্রাইব্যুনালের মামলায় সাজার হার মাত্র ৩ শতাংশ। সূত্র : সময় টিভি অনলাইন

সর্বাধিক পঠিত