প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] গাজীপুরে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার-২

গাজীপুর প্রতিনিধি: [২] গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের শিমুলতলী স্কুল গেট সংলগ্ন এলাকায় এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রাতেই ভিকটিমের মা বাদী হয়ে মামলা দায়ে করেছেন। পরে অভিযান চালিয়ে শ্রীপুর এবং ময়মনসিংহ থেকে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়।

[৩] গ্রেফতারকৃতরা হলো, গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার জৈনাবাজার এলাকার আবুল কালামের ছেলে মাসুদ রানা (২৫) এবং ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানার গলগন্ডা গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে মো: আনন্দ (২২)। তারা দু’জনই নগরীর চত্বর এলাকায় বসবাস করতো।

[৪] থানায় মামলা সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত নাইম ও ভিকটিম কলেজছাত্রী গাজীপুর শহরে একটি কলেজে লেখাপড়া করার সুবাদে তাদের মধ্যে সুসর্ম্পক গড়ে উঠে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে নাঈম ওই ভিকটিম কলেজছাত্রীর মোবাইল ফোনে কল দিয়ে জরুরি কথা আছে বলে শিমুলতলী বটতলা এলাকায় দেখা করতে বলে।

[৫] পরে নাঈম পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ওই ভিকটিমকে একটি অটোরিকশায় করে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শিমুলতলী স্কুল গেট সংলগ্ন এলাকায় একটি হাফ বিল্ডিংয়ে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছালে ওই ভিকটিমের বিষয়টি সন্দেহ হলে সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় নাঈম ভিকটিমকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই বলে আশ্বস্ত করে জোর করে ঘরের ভেতরে নিয়ে যা। ভেতরে আগে থেকে সহযোগী আনন্দ ও মাসুদ রানা উপস্থিত ছিলো। সেখানে হত্যার ভয় দেখিয়ে তাকে জোড়পূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণকারীরা চলে গেলে ভিকটিম অসুস্থ অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে বের হয়ে আসে। তার অবস্থা দেখে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতলে ভর্তি করেন।

[৬] গাজীপুর মেট্রোপলিটন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর ভূইয়া জানান, এ ঘটনায় রাতেই ভিকটিম কলেজছাত্রীর মা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আনন্দ ও মাসুদ রানাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই মামলার প্রধান আসামি নাঈম পলাতক রয়েছেন। তকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত