প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] গত ১০ বছরে দেশে কোটি মানুষ হতদরিদ্র অবস্থা কাটিয়ে উঠলেও করোনার কারণে দেড়কোটি মানুষ গরিব হয়েছে

দেবদুলাল মুন্না:[২] এ তথ্য সরকারের থিংক ট্যাংক হিসেবে পরিচিত পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনৈতিক বিভাগের (জিইডি)। সংস্থাটি বলছে, আসন্ন অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় করোনার প্রভাবকে অন্তর্ভুক্ত করতে একটি প্রাথমিক হিসাব করা হয়েছে। হিসাব অনুসারে, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের জাতীয় দারিদ্র্যের হার ২৯ দশমিক ৪ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। আর বেকার হয়েছে কয়েক কোটি মানুষ। তবে এ বেকারত্ব সাময়িক।

[৩] টিবিএস নিউজ জানায়, মধ্যবিত্ত শ্রেণির সম্প্রসারণ একটি দেশের উন্নয়নের লক্ষণকে প্রকাশ করে। বাংলাদেশেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দারিদ্র কমেছিল উল্লেখযোগ্য হারে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য মতে, গত ১০ বছরে আমাদের দেশে প্রায় এক কোটি মানুষ হতদরিদ্র অবস্থা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছিলেন।সরকারি তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০১০ সালে দেশে হতদরিদ্র ব্যক্তির সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৫৮ লাখ। ২০১৯ সালের জুন মাস শেষে অতি গরিব বা হতদরিদ্র ব্যক্তির সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখের কিছুটা বেশি।

[৪] কিন্তু করোনা পরিস্থিতি দারিদ্র বিমোচনের চিত্র পাল্টে দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিশ^ব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘দেশে দারিদ্র্য করোনার কারণে ৪০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। করোনার প্রভাব কত মারাত্মক ছিল, তা খোলা চোখে দেখলেই বোঝা যায়। বহু মানুষ ঢাকা ছেড়েছে, বহু মধ্যবিত্ত গরিব হয়ে গেছে।

[৫] শনিবার (১৭ অক্টোবর) জাতিসংঘ ঘোষিত ‘আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবস’। জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতিবছরই সারা বিশ্বে এই দিনে দিবসটি পালিত হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত