প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রিফাত হাসান: নুরুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের কোনো অভিযোগ খোদ মামলাতেই নেই

রিফাত হাসান: ধর্ষণ মামলার বাদী মানেই যে ধর্ষণের ভিক্টিম না, এই বোঝাপড়া আগে পরিষ্কার হওয়া দরকার। নূরুদের বিরুদ্ধে যে মামলা, এখানে নুরু নিজেরে ভিক্টিম দাবি করছেন এবং এইটা নূরুদের পলিটিক্যাল স্ট্যান্ড। নুরু মনে করছেন, এখানে ক্ষমতাসীনদের গুটি হিসেবে বাদি ব্যবহৃত হইতেছেন। নূরুদের বিরুদ্ধে যে মামলা ও অভিযোগ, সেটি যে পলিটিক্যাল, তা নূরুরা ছাড়াও আমরা প্রায় সবাই দেখছি ও স্বীকার করেছি অলরেডি। কিন্তু দেখেন, মিডিয়াগুলো এই মামলার প্রথম বিবরণিতে নূরুকে ধর্ষক হিসেবেই হাজির করে, যদিও নুরুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের কোনো অভিযোগ খোদ মামলাতেই নেই। সেই ‘ধর্ষক’ কওয়ার ধাক্কাতেই, মিডিয়ার সেই প্ররোচনাতেই সে রাতে নূরুরা গ্রেফতার হন ও পরে বহুত হাঙ্গামা করে ছাড়া পান।
দেখেন, মিডিয়াগুলো নুরুরে ধর্ষক হিসেবে প্রতিবেদন করার পরে এর জন্য কোনো ডিসক্লেইমার পর্যন্ত দেয়নি পরে, ক্ষমা চাওয়া বা লজ্জা পাওয়া দূরে থাক। তো, সেই নারীর এই মামলার ঘটনা নিয়ে মন্তব্যে নুরু কোথাও দুশ্চরিত্র বলেছেন বলে রিপোর্ট দেখলাম, আর এইটা নিয়ে নুরুকে ধর্ষক বলা মিডিয়ায় নিউজ হইতেছে আবার। শুধু তাই নয়, এইটা নিয়া রক্ষণশীলদের বড় অংশ দেখি ক্ষুদ্ধ প্রতিবাদ করছেন। এইটা সত্যি যে, নুরুর সতর্ক হওয়ার দরকার ছিল এবং এইটা সম্ভব যে, দুশ্চরিত্রর নারীবাদি বয়ান ও সেন্সিটিভিটিগুলো নিয়ে নুরু সতর্ক বা ওয়াকিবহাল ছিলো না। কিন্তু নুরুর যারা প্রতিবাদ করছেন, তাদের আলাপটা কোন জাগায়? নারীরে দুশ্চরিত্রা বলা যাবে না, এইটাই আপনাদের স্ট্যান্ডপয়েন্ট, নাকি ধর্ষণ মামলার বাদিরে দুশ্চরিত্রা বলা যাবে না, এইটাই আপনার আলাপ। যদিও দুইটাই স্রেফ ‘অনুভূতি’ ও রক্ষণশীলতার আলাপ। বাদি আপনারে প্রকাশ্যে ধর্ষক মানে দুশ্চরিত্র বলতে পারবেন, মিডিয়াও আপনারে একই নামে ডাকতে পারবে, সরকারি ছাত্রসংগঠন ডাকতে পারবে, আর আপনি, যে ভিক্টিম, দাবি করছেন এইটা অনর্থ ও পলিটিক্যাল মামলা, সরকারের ইশারায় এই মামলা হইছে, সেই মামলাকারীরে দুশ্চরিত্র বলতে পারবেন না? শুধু নুরু, মানে পুরুষরে দুশ্চরিত্র কওয়া জায়েজ, নারীরে কওয়া হারাম? ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত