প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দেশের জিডিপি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের চেয়ে কিছুটা আশার বাণী দিয়েছে আইএমএফ

বিশ্বজিৎ দত্ত: [২] বিশ্বব্যাংক প্রবৃদ্ধি হার ধারণা করছে ১.৬ শতাংশ। সেখানে আইএমএফ বলছে বাংলাদেশের বর্তমান প্রবৃদ্ধি ৩.৮ আর আগামী ২০২১ সালে হবে ৪.৪ হারে।

[৩] তবে মাথাপিছু প্রবৃদ্ধিতে এ বছর (২০২০) ভারতের চেয়ে এ গিয়ে থাকবে বাংলাদেশ। আইএমএফের হিসাবে বাংলাদেশের মাথাপিছু প্রবৃদ্ধি হবে ১৮৮৮ ডলার। সেখানে ভারতের হবে ১৮৭৭ ডলার। আর প্রবৃদ্ধিতে পাকিস্তান এমন অবস্থায় থাকবে যার কোন ডাটাই উল্লেখ করেনি আইএমএফ।

[৪] ভারতের প্রবৃদ্ধি অবশ্য আগামী বছর হবে ৮.৮ শতাংশ হারে। সেখানে বাংলাদেশের হবে ৪.৪ শতাংশ। চিনের হবে ৮.২ শতাংশ হারে।

[৫] এই বছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু প্রবৃদ্ধি ভারতের চেয়ে বেশি হওয়ার কারণ বাংলাদেশের রপ্তানি চালু হয়ে যাওয়া ও আভ্যন্তরীণ বাজারে মূদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায়। অন্যদিকে ভারতের প্রবৃদ্ধি ১০.৩ শতাংশ কমে যাওয়ার কারণ হিসাবে বলা হয়েছে সঠিক সময়ে রপ্তানি চালু না হওয়া ও লকডাওনে আভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদা কমে যাওয়াই এরজন্য দায়ি।

[৬] আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ গীতা গোপীনাথ বলেন, অতিমারির কারণে দু:খের দিন দীর্ঘ হবে। বিপদ কমতে পারে আর্থিক ও ঋণ নীতির মাধ্যমে।

[৭] আইএমএফের তথ্য অনুযায়ি ২০২৫ সালে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৭.৫ শতাংশ। যা বাংলাদেশ ২০১৭ সালে অর্জন করেছিল। দেশের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল বিশ্বব্যাংকের প্রবৃদ্ধির ফোরকাস্ট নিয়ে সংসয় প্রকাশ করেছেন। তবে আইএমএফের বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য দেননি। ২০২০-২১ সালের বাজেটে দেশের প্রবৃদ্ধি নির্ধারণ করা হয়েছে ৮.২ শতাংশ।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত