প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মাহমুদউল্লাহরা ৫ উইকেটে জিতেছে, জন্মদিনে ০ রানে ফিরেছে লিটন

রাহুল রাজ: [২] বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের দ্বিতীয় ম্যাচে তামিম একাদশের বিপক্ষে সোহান- মুমিনুলের ব্যাটে ৫ উইকেটে জয় পেয়েছে মাহমুদউল্লাহ একাদশ। প্রথম ম্যাচে নাজমুল একাদশের কাছে হারলেও অবশেষে জয় পেয়েছে রিয়াদরা।

[৩] তামিম একাদশের দেওয়া ১০৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে বিপাকে পরে মাহমুদউল্লাহ একাদশ। মোস্তাফিজের প্রথম বলে গোল্ডেন ডাকের স্বাদ নিয়ে ফিরেন মোহাম্মদ নাইম শেখ। এরপর ৮ বল খেলে নিজের ২৬তম জন্মদিনে শূন্য রানে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন বলে বোল্ড হয়ে ফিরেন লিটন কুমার দাস। একই ওভারেই কোন রান না করা ইমরুল কায়েস ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন।

[৪] ০ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে দলের যখন বিপর্যয়ের মুখে তখন দলটির দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুমিনুল হক জুটিতে আশা দেখছিল মাহমুদউল্লাহ একাদশ। তবে দু’জনে ৩৯ রানের জুটি করতেই সেটা ভেঙেছেন তাইজুল ইসলাম। ৩৯ বলে ১ চারে ১০ রান করে তাইজুলের বলে বোল্ড হয়েছে ফিরেছেন দলটির অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ।

[৫] এরপর নুরুল হাসান সোহানকে সাথে নিয়ে আর এক কার্যকরী জুটি গড়েন মুমিনুল। দু’জনে মিলে ৩৮ রানের জুটি গড়লে ৩৯ রান করে ফিরেন মুমিনুল। কিন্তু মুমিনুল ফিরে গেলেও দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন সোহান। তার ৩৬ বলে ৩৭ রানের অপরাজিত ইনিংসে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় মাহমুদউল্লাহ একাদশ।

[৬] এর আগে মিরপুরে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি তামিম একাদশের। জুনিয়র তানজিদ হাসান তামিমকে নিয়ে স্বপ্নের ওপেনিং জুটি গড়তে ব্যর্থ হয়েছেন অধিনায়ক তামিম। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ৮ বলে মাত্র ২ রান করে রুবেল হোসেনের বলে এলবিডব্লুর ফাঁদে পড়ে ফিরে যান তিনি।

[৭] এরপর তানজিদ হাসান তামিম ও এনামুল হক বিজয় জুটি গড়ার চেষ্টা করেন। তবে সেটিও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। বৃষ্টির বাধার পর ম্যাচ শুরু হলে আবারো আঘাত হানেন রুবেল। এবার জুনিয়র তামিমকে ফেরান এই পেসার। ১৮ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ২৭ রান করে মুমিনুলের তালুবন্দি হয়ে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম। একই ওভারেই মাত্র ২ বল খেলে ফেরেন মোহাম্মদ মিথুনও।

[৮] রুবেলের পর বল হাতে এসে তাণ্ডব ছড়ান পেসার সুমন খান। ইনিংসের ১১তম ওভারে শাহাদত দিপুকে ফিরিয়ে শিকার করেন প্রথম উইকেট। নিজের পরের ওভারে ব্যাটিংয়ে এসে এবার জোড়া আঘাত হানেন সুমন। ১৩তম ওভারের প্রথম বলেই ফেরান সৈককতে। এরপর শেষ বলে তামিম একাদশের একদিক আগলে রাখা বিজয়কে ব্যক্তিগত ২৫ রানে ইবাদতের তালুবন্দি করে ফেরত পাঠান সুমন। ফলে ৬৮ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে তামিমের দল।

[৯] পরবর্তীতে পেসারদের পর মাহমুদউল্লাহ একাদশের স্পিনারদের তোপে সেই বিপদ কাটিয়ে উঠতে ব্যর্থ হয় তামিম একাদশের পরের ব্যাটসম্যানরাও। লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ও মিরাজের পরপর আঘাতে মাত্র ১০৩ রানেই গুটিয়ে যায় তামিম একাদশ।

সর্বাধিক পঠিত